
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ঃ আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বিএনপি’র জ্বালাও পুড়াও মামলার আসামী ময়মনসিংহের রাঘবপুরের আব্দুল মজিদকে এখন আওয়ামীলীগ বানিয়ে হয়রানির অপচেস্টা চালাচ্ছে স্থানীয় একটি চক্র। স্থানী চক্রটি মূলত জনরোষের কারনে নিজ এলাকায় বসবাস করতে পারেনা। এরা একাধিকবার গনধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। লাম্পট্টের কারনে কারো পিতাকে খুন করে পুরুষাঙ্গ মূখে রেখে দেয়ার ঘটনা রয়েছে। এরা স্থানীয় ভাবে চুরি ছিনতাইয়ের মদদদাতা। তথাকতিথ সাংবাদিকতার নামে কোতোয়ালী মডেল থানায় বসে দালালী করে। জয়নাল আবেদীর ফেসবুক পোস্টে এদরকে থানার দালাল হিসেবে চিহ্নীত করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে যাদের নাম উলেখ করা হয়েছে তারা হলেন, শিবলী সাদিক খান, মাইন উদ্দীন উজ্জল আরো ২ জন। পেশাগত কারনে এরা কেউ ছিল মুরগীর ব্যবসায়ী, কেউ আবার মাদক ব্যবসায়ী। মূলত তাদের পেশা ঠিক রাখতেই, থানায় ও পুলিশের সাথে হরদম আড্ডা দেয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, রাঘবপুরের মাইন উদ্দিন উজ্জল বহু লোকের কাছ থেকে পুলিশ অথবা বিভিন্ন কাজ করে দেবার কথা বলে টাকা নিয়ে আত্নসাৎ করেছে। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে রয়েছে এমন অভিযোগ। এগুলোর লিখিত না থাকায় পাড় পেয়ে গেছে। এমন একাধিক ঘটনায় জনরোষে পড়ে ব্যাপক মারধর খেয়েছেন। টংগীতে এমন কেলেংকারি করায় এখন সেখানে যেতে পারেননা। তথাকতিথ অনলাইন পোটাল খুলে থানা অবস্থান করে এখন দালালি করেন। অপর দিকে বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে মুখরোচক গল্প বানিয়ে লিখে টাকা আদায় করেন। সন্ধার পর থেকে তাদের নিয়মিত থানায় অবস্থান করায় কেউ এর প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। এদর কব্জায় রয়েছে কতিপয় পুলিশ। যাদের দিয়ে জনগনদের হয়রানি করে থাকে।
আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বিএনপি লোক বলে একটি মামলা ঠুকে দেয়া হয়। আব্দুল মজিদ এখন নাকি আওয়ামীলীগ! মুলত তিনি কোন দলই করেনা। বাজারে দোকান থাকায় সব দলের লোকেরা তার দোকানে বসে আড্ডা দেয়। তাকে এখন আওয়ামীলীগ বানিয়ে নিউজ করে লাখ টাকা দাবী করেছেন।
স্থানীয় রফিক মাস্টার জানান, মাইন উদ্দিন একটা চিটার। এলাকার শত শত লোকজন টাকা পায়। নিজের বাড়িতে আসতে পারেনা।
জামাল মেম্বার জানান, মাইন উদ্দি একটা পচা লোক। এখন থানায় দালালি করে। তার কাছে অনেক মানুষে টাকা পায়।





























