
বাড়ির দলিল নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রবাসী, থানায় অভিযোগ দায়েরব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মেহারি ইউনিয়নের শিমরাইল সৌদি আরব প্রবাসী মো: দেলোয়ার হোসেন। পৈতিৃক সূত্রে পাওয়া নিজের ভিটি রক্ষায় প্রবাস থেকে এসে ন্যায় বিচারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে বিচার না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ ও বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পরিবারের সুখের কথা চিন্তা করে প্রবাসে থেকে বাবা মোসলেম মিয়াকে দিয়েছেন নিজের উপার্জিত অর্থ। সে অর্থের মাধ্যমে বাবা ক্রয় করেছেন যায়গা জমি। বাবার মৃত্যুর আগে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে সঠিক চৌহদ্দী নির্ধারণ করে ভাইদের মাঝে সঠিকভাবে যায়গা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ২০১৮ সালেই। দীর্ঘ সাত বছর পর ছোট ভাই মো: ইকরাম মিয়া হঠাৎ কসবা থানায় প্রবাসী দেলোয়ারকে বিবাদী করে তাঁর যায়গা দখল ও বাবাকে ফুঁসলিয়ে রাস্তার সাথের যায়গা লিখে নেওয়া ও দখলের বিচার চেয়ে একটি ফেসবুক পেইজে মিথ্যা ও একপাক্ষিক ভিডিও প্রকাশ করে। প্রবাসী দেলোয়ার আরো বলেন, বর্তমানে আমার ভিটি বাড়িটির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ছোটভাই ইকরামুল। মূলত ৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে আমার ছোট ভাই আমাকে শেয়ারে রেখে কুটি বাজারে যায়গা রেজিস্ট্রির কথা বলে আমার নিকট থেকে নগদ ৩০ লক্ষ টাকা নেয়। পরবর্তীতে আমার ছোটভাই আমার নামে সে যায়গাটি রেজিস্ট্রি কথা বলে প্রতারণা করে ও টাকা দিবে দিবে বলে ঘুরাতে থাকে। সেই টাকা আমি চাওয়ায় বর্তমানে আমার ছোট ভাই ইকরাম আমার নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ কুটি বাজারেও সকলের কাছে বলে বেড়াচ্ছে যে, আামি নাকি তাঁর যায়গা দখল করে রেখেছি। অথচ বাবার দেওয়া দলিল অনুযায়ী সে যায়গা এখনো পতিত ভূমি হিসেবে পরে আছে। আমাকে হয়রানি সহ আমার মান সম্মানে আঘাত হানার জন্য আমার ছোট ভাইয়ের সুবিচার কামনা করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছোটভাই মো: ইকরাম মিয়া বলেন, আমি পরিবার নিয়ে গ্রামে থাকিনা ও আমার ভাইয়ের বাড়ি দখলের প্রশ্নই উঠেনা। পাশাপাশি আমার ভাই আমাকে কোন টাকাও দেয়নি ও ২০১৮ সালে আমার বাবা অসুস্থ্য হয়ে পরলে বড় ভাই তাদের সুবিধা অনুযায়ী সে যায়গা নিয়ে নেয়। তাই আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, আমরা দুইভাইয়ের পক্ষ থেকেই দুটি অভিযোগ পেয়েছি ও তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























