
মো আনিছুর রহমান (স্টাফ রিপোর্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
চট্টগ্রামস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতি ও বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির পক্ষ থেকে কসবা ও আখাউড়ায় বন্যার্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গত রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের খাদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তালিকাভুক্ত প্রায় ১শত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। সংগঠন সমূহের পক্ষে অর্থ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, চট্টগ্রামস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সহ সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জেলা বিএনপি নেতা সমাজসেবক আলহাজ্ব খন্দকার বিল্লাল হোসেন। এসময় তার সাথে ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রেজাউল বারী ভূঁইয়া।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সমূহের মাঝে অর্থ সহায়তা প্রদানকালে বিল্লাল খন্দকারের এলাকার লোকজন ও স্থানীয় শুভানুকাঙ্ক্ষীরা তাকে সহযোগিতা করে।
জানা গেছে সম্প্রতিক বন্যায় শালদা ও গোমতীর নদীর বাঁধ ভেঙে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে সৃষ্ট বন্যায় কসবা উপজেলার বায়েক ও কাইমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার কয়েক হাজার পরিবার সহ, কৃষি ও মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
বিকেলে আখাউড়া উপজেলায় সম্প্রতি হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে সৃষ্ট বন্যায় আইড়ল ও খলাপাড়ার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। কর্নেল বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তাদের পুনর্বাসনের জন্য সংগঠন সমূহের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, তুলাইশিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মলাই মাস্টার, এলাকার লোকজন সহ তার শুভানুকাঙ্ক্ষীরা। এছাড়াও মোগড়া ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫০টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গত সপ্তাহে আখাউড়া উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের মাঝে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেছিলেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাধ্যমে তিনি জানান, মানুষের কল্যাণ ও সহযোগিতার লক্ষ্য নিয়ে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বেশকিছু ভালো মনের মানুষদের দ্বারা বৃহত্তর কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতি সৃষ্টি করেছিল। সংগঠনসমূহের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে সুবিধাবঞ্চিত লোকদের মাঝে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান সহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। এছাড়াও আর্ত মানবতার সেবায় সংগঠনের এবং নিজের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।





























