
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সারাদেশে চলমান মব ভায়োলেন্স ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ, ঢাবি ও জাবি'তে সংঘঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে "নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়" ব্যানারে মশাল মিছিল করে।
আজ ১৯-ই সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৭ টায় চবির জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহিদ মিনার হয়ে পূণরায় জিরো পয়েন্ট আসে।
সঙ্গীত বিভাগের ২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী জসদ জাকির বলেন, "আজ আমরা ২৪ এর গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়ে মশাল নিয়ে দাঁড়িয়েছি, দাসপ্রথা, সামন্ত এমনকি জমিদারি প্রথার পতন ঘটিয়ে এই আধুনিক যুগে সামন্তীয় ভাবে হত্যা মেনে নেয়া যায় না। গতকাল রাতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিচারবহির্ভূত হত্যা সংগঠিত হয়েছে, ঢাবির প্রক্টর বলেছেন "আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন মামলা রুজু করবো।" আমরা বিগত ১৭ বছর ধরে এ কথা শুনে আসছি, আমরা এখন দেখতে চাই আর এমন বয়ান শুনতে চাই না।
মার্কেটিং বিভাগে ২০২১-২০২২ সেশনের শিক্ষার্থী সুমাইয়া শিকদার বলেন, গতকাল রাতে ঢাবি ও জাবিতে এবং এর পূর্বে রাবিতে আমরা মব-এট্যাকের ঘটনা দেখতে পাই। চবিতেও ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে মব-এট্যাকের চেষ্টা করা হয়েছিল। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বর্তমানে মব-এট্যাকের নজির তৈরী করছে। আমাদের দাবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন অতিসত্বর এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং জড়িতদের বিচারের ব্যবস্থা করে।
চবি ২০১৭-১৮ সেশনের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী রোনাল চাকমা বলেন, ঢাবি এবং জাবি'তে বিচারবহির্ভূত যে যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা শরীর শিউরে ওঠার মত। আওয়ামী লীগের শাসন আমলে পাহাড় এবং সমতলে যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তার কোন সুষ্ঠু বিচার আমরা দেখিনি। এখন এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া মানে আবার সেই শাসনামলে ফিরে যাওয়া। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।





























