
দীর্ঘ ৭ বছরেও শেষ হয়নি ৩৭৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ’ প্রকল্পের কাজ। ২০১৭ সালে নির্মাণ শুরুর পরে কয়েকদফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলেও গত মে মাসে কাজ সম্পূর্ণ না করে চলে গেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না কোম্পানী ‘পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশন অব চায়না’ (পিসিসিসি)।
সেই প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন রেলওয়ের মহা ব্যবস্থাপক (পূর্বাঞ্চল) ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ এসে পৌঁছায় পরিদর্শন দলটি। রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্বাঞ্চল) নাজমুল ইসলাম নেতৃত্বে তারা প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইঞ্জিনিয়ার ও রেলওয়ে পুলিশ।
রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্বাঞ্চল) নাজমুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ প্রকল্পটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ আছে। এই কার্যক্রম যেন চলমান হয়, নতুন করে সাথে আরো কিছু কাজ সংযোগ করা হয়েছে। এটার জন্য টেন্ডার ফাইনাল পর্যায়ে আছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই বন্ধ হওয়া কাজ পুনরায় চালু হবে। চায়না কোম্পানির যারা ছিলো, তাদের ক্যাপাসিটি অথবা তারা কাজটা সঠিকভাবে করতে না পারার অভিজ্ঞতা ঘাটতি ছিল। তারা আংশিক কাজ করে চলে গেছে। আমাদের আবার নতুন করে বাকি কাজ পুনঃদরপত্র আহ্বান করতে হয়েছে। লাইনটা আজকে পরিদর্শন করলাম, সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক ইঞ্জিনিয়ারা ছিলেন। কিছু ক্ষেত্রে ত্রুটি আছে। তাৎক্ষণিকভাবেই সমাধানের চেষ্টা করছি। প্রকল্পের কাজটা শেষ হলে নারায়ণগঞ্জবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচল করতে পারবে। ধাপে ধাপে নানা প্রক্রিয়ায় ছয় মাসের মধ্যে সমাধানের দিকে যাবে আশা করছি। নারায়ণগঞ্জবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের জন্যই এই প্রকল্পটা হাতে নেয়া হয়েছে। যেখানে ১৬ জোড়া ট্রেন চলতো, সেখানে আরও উন্নতি করতে পারি।
রেলওয়ের জমি অবৈধ দখলে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, রেলওয়ে অনেক জমি আছে- জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন এলাকায়। বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা গুলো উচ্ছেদ করার।
চাষাঢ়া থেকে গেন্ডারিয়া পর্যন্ত দুই লাইন এটা হচ্ছে পদ্মা লিঙ্ক প্রকল্প। আর চাষাঢ়া থেকে নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত ডাবল লাইন, কিন্তু আলাদা একটা প্রকল্প আছে।





























