
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা হিসনা নদী এখন অস্বিত্ব সঙ্কটে ভুগছে। নদীর জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে দোকানপাটসহ বহুতল ভবন। কোথাও কোথাও বাঁধ দিয়ে নদীতে মাছ চাষও করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ নদীর বুকে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছেন। দখল করে দফায় দফায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হচ্ছে। ফলে এক সময়ের খরস্রোতা হিসনা এখন পরিণত হয়েছে মরা খালে। এতে পরিবেশসহ জীববৈচিত্র পড়েছে হুমকির মুখে।
অবৈধ দখল-দূষণে সরু মরা খালে পরিণত হয়েছে প্রবাহমান পদ্মা নদীর শাখা হিসনা। নদীর নাব্যতা ফিরে পেতে দখল ও দূষণ মুক্ত করে খননের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কলকারখানা ও বসতবাড়ির বৈর্জ্য নদীতে ফেলে ভাগাড়ে পরিণত করেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। দূষিত কালোপানি ও ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। মূলত নদীরপাড়ে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানা ও বসত বাড়িগুলো দখল করে রেখেছে এই হিসনা নদীকে। তবে কর্তৃপক্ষ দখল উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছেন।
এই হিসনা নদী এক সময় ছিল স্রোতশৈলী। কালক্রমে এই হিসনা এখন জবর দখলে। অবৈধ দখল, দূষন মুক্ত ও খনন করলে হিসনার পুনঃজীবন ফিরে পাবে। কলকারখানা, নদী তীরের বসত বাড়ির ও বাজারের যতো ময়লা আবর্জনায় ভরে গেছে, দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে বাতাসে, চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নদীটা দখলে সরু খালে পরিণত হয়ে গেছে, ম্যাপ দেখে মেপে দখলমুক্ত করে দূষিত পানি ও ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে পুনরায় খনন করে নদীর নাব্যতা ফিরে আনার দাবি পরিবেশ প্রেমীদের।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, হিসনা নদী খনন কাজের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, প্রকল্প অনুমোদন হলেই কাজ শুরু করা হবে। দখল উচ্ছেদ করে মোট ৪২ কিলোমিটার খনন করা হবে তাতে হিসনা নদী পুনঃজীবন ফিরে পাবে।





























