
সোহেল রানা বিশেষ প্রতিনিধি বরগুনা:
গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি বর্বরতা ও ভারতের নাগপুরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে তৌহিদী জনতা।
শুক্রবার বাদ জুমা, তালতলী বাজারের বিভিন্ন মসজিদ থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলী বর্বরতা ও ভারতের নাগপুরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মোঃ ফয়সাল আহমেদের সঞ্চালনায়, ও উপজেলা বিএনপির সি. যুগ্ন আহ্বায়ক, ও তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন এর সভাপতিত্বে। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন,ইসলামী আন্দোলন তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ আফজাল হুসাইন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের তালতলী উপজেলা শাখার আমির, মাওলানা মুহাম্মদ শাহজালাল পিয়াদা,তালতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এইচ এম খলিলুর রহমান, উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইউসুফ আলী, দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা জালাল উদ্দিন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সাম্রাজ্যবাদী ও ইহুদিবাদী শক্তিগুলো ফিলিস্তিনকে উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত করেছে। সেখানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। বাবা তার সন্তানের কপালে চুমু দিয়ে কবরে রাখছে দৃশ্য কি দেখা যায়? । বোমা হামলায় রক্ত ঝরছে নিরীহ মানুষের। সরকার আমাদের ব্যবস্থা করে দিক আমার মুসলিমদের জন্য যু্দ্ধ করবো। সৌদি আরব চুপ রয়েছে, ও মুসলমান হিসাব দিতে হবে মৃত্যু ২০ বছরে হবে নয়তো৭০ বছরে হবে। আজকে তোমারা ঘরে রয়েছো ও মুসলমান। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিশ্ব আর বসবাসের উপযোগী থাকবে না। আমরা ইসরায়েলের বর্বরতা ও তাদের সহযোগী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রতি তীব্র নিন্দা জানাই।
বক্তারা আরো বলেন, ফিলিস্তিনে ছোট ছোট শিশু ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। এই নির্মমতা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, কিন্তু বিশ্ব বিবেক যেন নির্বিকার। সভ্যতার নামে যারা আমাদের নীতিকথা শোনায়, তারা ফিলিস্তিনের পক্ষে কেন কথা বলে না—এ প্রশ্ন আজও রয়ে গেছে। দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল ক্রমাগত ফিলিস্তিনকে কোণঠাসা করছে। যদি এই নিপীড়ন চলতে থাকে, তবে কয়েক দশকের মধ্যেই ফিলিস্তিন বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে। আমরা ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছি এবং ন্যায়সংগত অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ চলবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ভারতের হিন্দু মৌলবাদী বিজেপি দাঙ্গাবাজ সরকার গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করে মুসলমানদের ওপর নানামুখী অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতের শ্রেষ্ঠ সুশাসক সম্রাট আওরঙ্গজেবের মাজার ভাঙার চক্রান্ত চলছে। মন্দির অনুসন্ধানে মসজিদ, মাদ্রাসা, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাঙছে। বিশ্বের মানবতাবাদীদের ভারতীয় উগ্রবাদীদের মুসলিম নিদর্শনসমূহ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।





























