
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য নরসিংপুর এলাকা থেকে সুমন খলিফা নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত সুমনের বয়স ৩৫ বছর। বাড়ি বরিশালের আগৈলঝড়া থানার আন্দার মানিক গ্রামে। স্ত্রী সোনিয়াকে নিয়ে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ভাড়া থাকতেন। পরিবার ও পুলিশের ভাষ্য, সোনিয়া বিভিন্ন গানের ক্লাবে গান করেন। রোববার রাতে দম্পতি পঞ্চবটি এলাকায় একটি গানের ক্লাবে যান। রাতভর গানের আসর শেষে ভোরে সোনিয়া বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিলেও স্বামীকে খুঁজে পাননি।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি তদন্ত আনোয়ার হোসেন বলেন, সকালে সোনিয়া থানায় এসে স্বামী নিখোঁজের কথা জানান। ঠিক ওই সময় ৯৯৯ নম্বরে ফোন আসে যে মধ্যনগরে একটি লাশ পড়ে আছে। পরে ছবি দেখে সোনিয়া মরদেহটি সুমনের বলে শনাক্ত করেন। তাঁর শরীরে মাথার পেছন, পিঠ ও কোমরের ওপর ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পুলিশ জানায়, প্রথম স্ত্রী ইতির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দেড় বছর আগে সোনিয়াকে বিয়ে করেন সুমন। প্রথম স্ত্রী ইতিও বিভিন্ন ক্লাবে গান করতেন।
এদিকে সোনিয়ার সহযোগী শিল্পীরা জানান, ভোরে অনুষ্ঠান শেষে সোনিয়া, ইউনুস সরকার ও মতি দেওয়ান মিশুকে করে চিটাগাং রোডের দিকে ফিরছিলেন। অক্ট্রো অফিস মোড়ে পৌঁছালে তিনজন ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলে এসে তাঁদের পথরোধ করে। অস্ত্র দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। ছিনতাইয়ের পর তাঁরা থানায় গিয়ে ঘটনার কথা জানান, তখনই পুলিশ এর কাছ থেকে সুমনের মৃত্যুর খবর পান।
পুলিশ বলছে, গানের ক্লাব থেকে বের হওয়ার পর কোন সময়ে এবং কীভাবে সুমন হত্যার শিকার হলেন, তা তদন্তে মূল গুরুত্ব পাচ্ছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





























