
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক নেতারা। এমন ঘটনা আরও ঘটার আশঙ্কা তাঁদের। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন থাকলে আগামী নির্বাচন অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের পাশাপাশি যথা সময়েই ভোট হবে বলে আশাবাদী রাজনীতিবিদরা।
শুক্রবার ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় শঙ্কিত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
রাজনীতিবিদদের শঙ্কা—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে ফেব্রুয়ারির ভোট। তাঁদের দাবি, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি, প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান কাজ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন নাসের বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এরকম থাকলে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং এবং অনেক প্রার্থী আহত হবেন। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে। অবশ্যই যারা প্রার্থী, তারা শঙ্কিত। যারা ভোটার, তারাও অনেক ক্ষেত্রে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।’
রাজনৈতিক নেতারা মনে করছেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করে নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘এখনও পর্যাপ্ত সময় আছে। কোনো কারণেই যেন নির্বাচন বানচাল না হয়। নির্বাচনকে আমরা যেন কার্যকর করতে পারি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কাজ করে এবং সেনাবাহিনী যদি মাঠে সার্বিক সহযোগিতা করে, তাহলে এ সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব।’
রাজনীতিবিদরা বলছেন, আগামী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত একটি মহল। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে এবং যেকোনো মূল্যে এদেশের মানুষকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আশাবাদী তাঁরা।
ঢাকা–৭ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, ‘একটা গোপন সংগঠন, তারা তো ওত পেতে আছেই। আশা করি আমরা নির্বাচন ঠিক সময়েই করব। এই ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।’
নির্বাচন বানচাল করতে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের কোনো পরিকল্পনা কাজে আসবে না বলেও জানান রাজনৈতিক দলের নেতারা।







































