শিরোনাম
সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের সম্মানে আহসানুল হক মাসুদের ইফতার মাহফিল নীলফামারীতে যুবদল কর্মী গ্রেপ্তার ঘিরে উত্তেজনা,বিএনপির সড়ক অবরোধ ও সাংবাদিক হেনস্তা কালীগঞ্জে প্রিন্সের পিতার কুলখানি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল রূপগঞ্জে বিদেশী পিস্তল ও মাদকসহ আটক-২ জামালগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু রূপগঞ্জে ভিজিএফচাল বিতরণে অনিয়ম, ১০ কেজির জায়গায় পাচ্ছে ৮ কেজি: মুরাদনগর থানার শ্রেষ্ঠ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এএসআই শামীম আহম্মেদ কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এএসআই আতিকুর রহমান শ্রীপুরে সড়ক থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার! সনাক্ত হয়নি পরিচয় কৃষিজমি মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬
শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস

জটিল রোগের ঝুঁকিতে আক্রান্তদের ৮০ শতাংশ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্তকর্তা আব্দুল কাদির (ছদ্মনাম) ২০২৩ সালে জুলাইয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগের কথা উল্লেখ করা হয়। আব্দুল কাদিরের পরিবারের সদস্যরা তার হৃদরোগের অল্প সমস্যা রয়েছে, জানলেও তা মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে ধারণা করতে পারেননি। গত কয়েক বছর অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে একাধিকবার গ্যাংগ্রিনের সার্জারি করা হয়েছিল তার। এতে তার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল থেকে শুরু করে এক সময় পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত কাটা হয়। সর্বশেষ তার ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (সিকেডি) ধরা পরে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার কিডনি জটিলতার চিকিৎসা চলছিল। 



মৃতের ছেলে আমিনুল বলেন, আমার বাবার ডায়াবেটিস সব সময় অনিয়ন্ত্রিত ছিল। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে উনাকে বুঝাতে চাইলে তিনি উল্টো রাগ করতেন। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে তার একাধিক সার্জারির মাধ্যমে বাম পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়েছে। সর্বশেষ কিডনি জটিলতা ধরা পড়ে। তবে এর মাঝে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। যা আমাদের ধারণার মধ্যে ছিল না।



আব্দুল কাদিরের মতো অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদরোগের মতো অসংক্রামক রোগ। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারন করেছে উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনি জটিলতার মতো অসংক্রামক রোগগুলো। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এসব অসংক্রামক রোগগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এসব রোগের প্রধান প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে ডায়াবেটিস। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে হৃদরোগ, ক্রনিক কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক রোগগুলোর ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে রোগী শনাক্ত না হওয়া ও প্রকৃত সংখ্যা না জানা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে।


২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সারাদেশে তিন লাখ ডায়াবেটিস রোগীর উপর সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ রিসার্চ ও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতায় ‘চেঞ্জিং ডায়াবেটিস প্যারামিটার শীর্ষক এক ফলোআপ গবেষণা পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, দেশে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রয়েছে। বাকি ৮০ শতাংশ রোগীরই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গবেষণায় রোগীরা কোন ওষুধ বেশি খায়, তাদের নিয়ন্ত্রণ কেমন রয়েছে, কি ধরনের জটিলাতায় ভুগে এ বিষয়গুলো দেখা হয়েছে।



এ বিষয়ে সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ রিসার্চের প্রকল্প পরিচালক ডা. বিশ্বজিত ভৌমিক  বলেন, বাংলাদেশে মাত্র ২০ শতাংশ মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয় পার্শ্ববর্তী দেশগুলো এবং উন্নত বিশ্বেও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণের রয়েছে। অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে একটা বড় গ্যাপ রয়ে গেছে। এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে ডায়াবেটিসের যে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও সেবাখাতে লোকবল প্রয়োজন তা নেই। আমাদের মতো স্বল্পে উন্নত দেশে হাসপাতালে মাধ্যমে এ সেবা নিশ্চিত সম্ভব না। আমাদের প্রয়োজন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা। 


অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফল তুলে ধরে তিনি বলেন, ডায়াবেটিস সাধারণ চোখ, কিডনি, হার্টে আক্রমণ করে। বেশিরভাগ জানতেই পারে না তাদের হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যারা নিয়মিত হাসপাতালে চেক করতে যায় না, তারা যখন সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যায় তখন তাদের জটিলতাগুলো অনেক বেশি থাকে। ফলে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। এসব রোগীদের নার্ভও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথম চোখ এরপর কিডনি ও নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর সব থেকে বেশি মৃত্যু হয় হার্টের সমস্যার কারণে। 


জানতে চাইলে ডা. বিশ্বজিত ভৌমিক বলেন, প্রথমত মানুষের মধ্যে ডায়াবেটিস বিষয়ক পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। ডায়াবেটিস থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করা যায় না। অর্থাৎ সারাজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হয়। এ অবস্থায় অনেক লোকে ওষুধ কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই। চিকিৎসক ও রোগীদের মধ্যে যে পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন সেখানে ঘাটতি রয়েছে। ফলে রোগীরা নিয়মিত ফলোআপে থাকছেন না। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ে। সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু কমিউনিটি ক্লিনিকে রক্তচাপ মাপা ছাড়া তেমন কোনো সেবা পাচ্ছেন না। সেখানে জটিল কোনো রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা নেই। এনডিসি কর্নারে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু তাদের প্রোপার ফলোআপের বিষয়টি হচ্ছে না। ডায়াবেটিস মানে শুধু সুগার মাপা নয়। একজন ডায়াবেটিস রোগীকে দুই ধরনের ওষুধ দেওয়া হয়, এর মধ্যে কারো কিডনি বা লিভারে সমস্যা থাকলে এ ওষুধগুলো নিতে পারবে না। কিন্তু এই কর্নারে এ পরীক্ষাগুলো করা হচ্ছে না।



বিনামূল্যে ডায়াবেটিসের ওষুধ প্রদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনডিসি কর্নারে ডায়াবেটিস ও এ সংক্রান্ত ৭টি ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ইনসুলিনও দেওয়া হচ্ছে। সরকার টাইপ-১ বাচ্চাদেরও বিনামূল্যে ইনসুলিন দিচ্ছে। তবে এই রোগীরা অনেক সময় নিয়মিত এনডিসি সেন্টারে আসেন না। ওষুধের সরবরাহ ঠিক থাকলে তাদের এক মাসের ওষুধও দেওয়া হয়। এটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরু করাটা একটা বড় প্রদক্ষেপ।



আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৪ শতাংশ বা ১ কোটি ৩১ লাখ মানুষের ডায়াবেটিস রয়েছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পরিচালিত ‘স্টেপ সার্ভে’ অনুযায়ী, ১০ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এতে সারাদেশে ৮ হাজার মানুষের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। অপরদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এনসিডির একটি সার্ভেতে দেখা গেছে, প্রতি ৫ জনে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এতে ১ লাখ লোকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।



এসব অবস্থায় যে সংখ্যাটি বলা হচ্ছে প্রকৃত রোগীর সংখ্যা তার থেকেও বেশি বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে এখনও অর্ধেক রোগীই শনাক্তের বাইরে রয়েছে। যখন এসব রোগী ধরা পড়ছে, তখন তাদের ৫০ শতাংশেরই চোখ, কিডনি, নার্ভ অথবা হার্টের সমস্যা রয়ে গেছে। এটি হয়েছে দেরিতে শনাক্ত হওয়ার জন্য। 


এ বিষয়ে সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ রিসার্চের প্রকল্প পরিচালক ডা. বিশ্বজিত বলেন, সরকারি তথ্য মতে, ১৮ থেকে ৬৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ১০ শতাংশ ডায়াবেটিস আক্রান্ত। ডায়াবেটিস ফেডারেশনের ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী ১৪ শতাংশের কথা বলছে। আমাদের পাশাপাশি যারা এ ধরনের জরিপ করেছে, অর্থাৎ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কায় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এ হারটি ২৫ থেকে ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। আমাদের দেশের প্রত্যেকের পরিবারের মধ্যে অন্তত একজনের ডায়াবেটিস রয়েছে। অর্থাৎ যে সংখ্যাটি আমরা বলছি সেটা আসলে প্রকৃত অবস্থা নয়।


আরও খবর




সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের সম্মানে আহসানুল হক মাসুদের ইফতার মাহফিল

নীলফামারীতে যুবদল কর্মী গ্রেপ্তার ঘিরে উত্তেজনা,বিএনপির সড়ক অবরোধ ও সাংবাদিক হেনস্তা

কালীগঞ্জে প্রিন্সের পিতার কুলখানি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

রূপগঞ্জে বিদেশী পিস্তল ও মাদকসহ আটক-২

জামালগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু

রূপগঞ্জে ভিজিএফচাল বিতরণে অনিয়ম, ১০ কেজির জায়গায় পাচ্ছে ৮ কেজি:

মুরাদনগর থানার শ্রেষ্ঠ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এএসআই শামীম আহম্মেদ

কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এএসআই আতিকুর রহমান

শ্রীপুরে সড়ক থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার! সনাক্ত হয়নি পরিচয়

কৃষিজমি মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

তাহিরপুরে গ্রামবাসী সহযোগিতায় গাঁজাসহ দুইজন আটক

দৌলতপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সুধীজনদের সম্মানে ইফতার মাহফিল

অধম নূর ইসলাম এর গল্প কত্ত রকম ইদ

শ্রীপুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রউফ শিমু

পাশ করার আগেই চাকরি! সাতক্ষীরায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

শ্যামনগরে গৃহবধূ তামিমার মৃত্যু ঘিরে রহস্য,আটক স্বামী

রাজশাহীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সভা, দ্রুত ন্যায়বিচারে সামারি ট্রায়ালের ওপর জোর

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড

গুরুদাসপুরে দুই গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম

‎টেক্সটাইল দূষণ মোকাবিলায় নরসিংদীর গবেষকের আন্তর্জাতিক সাফল্য

রামপালে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

আল্লাহর নৈকট্যের পথে এক মাসের বিশেষ সফর

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

কুমিল্লা হতে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী,নিজ এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

কাউন্সিলর থেকে মেয়র পদের দৌড়ে: ভোলা পৌরসভায় আলোচনায় হুমায়ুন কবির সোপান

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে অভিভাবকদের ফ্রি কুরআন শিক্ষার ক্লাস

গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন,লাল সভাপতি ও রিজু সাধারণ সম্পাদক

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, থানায় সাধারণ ডায়েরি

রাজধানীতে হত্যা করে লাশ টুকরো, সাভারে মিললো কোমরের নিচের অংশ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

পেট্রোল পাম্পে ‘প্যানিক বায়িং’

গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা, আলোচনায় ইলেকট্রিক বাস

সংসদের মন্দ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভরা মৌসুমে সারের মূল্যবৃদ্ধি, বোরো চাষে বিপদসংকেত

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওয়াসার পানির দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান