
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার লাকসামে এক সালিশ বৈঠকে অর্তকিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন(৩৫) ও ইউনুস মিয়া( ৪০) নামে ২ ব্যক্তি আহত হয়েছে।
গুরুতর আহত আনোয়ার হোসেনকে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশংকাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত আনোয়ার হোসেন লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও পুরানবাজার এলাকার মৃত. রহিম উল্লাহর ছেলে ও ইউনুস মিয়া একই এলাকার হাকিম আলীর ছেলে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও পুরানবাজার এলাকায়।
হামলাকারী মাইন উদ্দিন একই এলাকার মৃত সামাদ মিয়ার ছেলে। তারা বিরুদ্ধে লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের ২ ছাত্র হত্যা মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ওইদিন একই এলাকার শহিদা খানম, কুলসুম বেগম, সফিকুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ মিমাংসার লক্ষ্যে যুবদল নেতা শওকত আলম সেলিমের নেতৃত্বে এক সমাজিক সালিশ বৈঠক বসে।
সালিশ বৈঠক চলাকালে লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের ২ ছাত্র হত্যা মামলার আসামী মাইন উদ্দিন সমাজিক সালিশ বৈঠক বন্ধ করার চেষ্ঠা চালায়। এসময় সে সমাজিক সালিশ বৈঠকে থাকা আনোয়ার হোসেনকে গালমন্দ শুরু করে এবং হামলার চেষ্ঠা চালায়।
গালমন্দের বিষয়ে আনোয়ার জিঞ্জাসা করলে সে তার পাশে থাকা র্নিমানাধীন ভবনের কাঠ দিয়ে তাকে আঘাত করে মাথা পাটিয়ে দেয়। সালিশ বৈঠকের লোকজন তাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলে সে তাদের উপরও হামলার চেষ্ঠা করে।
এ ঘটনা দেখে একই বাড়ীর ইউনুস মিয়া এগিয়ে এলে তার হাতে থাকা কাঠ দিয়ে তাকেও পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে হামলাকারী আত্মরক্ষায় বাড়ীতে পালিয়ে যায়।
এদিকে আহত আনোয়ার হোসেন ও ইউনুস মিয়া কে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে র্ভতি করলে গুরুতর আহত আনোয়ারকে আশংকাজনক অবস্থায় কুমিল্লা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে। এ ঘটনায় আদালতে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
আহত ইউনুস মিয়া জানায় আমাদের পাড়ার সম্পত্তি নিয়ে সমাজিক সালিশ বৈঠক চলছে জেনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি বৈঠকের লোকজনের সামনেই মৃত সামাদ মিয়ার ছেলে লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের ২ ছাত্র হত্যা মামলার আসামী মাইন উদ্দিন একই পাড়ার মৃত রহিম উল্লাহর ছেলে আনোয়ার কে পিটিয়ে মাথা পাটিয়ে দিয়েছে। আমি আনোয়ার কে উদ্ধার করতে গেলে সে আমাকেও আঘাত করে। তার হাতের কাঠের আঘাতে আমার পিঠে ও হাতে একাধিক আঘাতের চিহৃ রয়েছে।
গুরুতর আহত আনোয়ার হোসেন জানায় একই এলাকার শহিদা খানম, কুলসুম বেগম, সফিকুর রহমান ও আমার মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ মিমাংসার লক্ষ্যে যুবদল নেতা শওকত আলম সেলিম ভাইয়ের নেতৃত্বে এক সমাজিক সালিশ বৈঠক চলছিল। সেখানে মাইন আমাদের সালিশ বৈঠকে বাধা দেয় এবং আমাকে গালমন্দ শুরু করে। তার হাতে থাকা কাঠ দিয়ে অর্তকিত আমার মাথায় আঘাত করে। তার কাঠের আঘাতে আমার মাথার পেচনের অংশ পেটে যায়। মাইন লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের ২ ছাত্র হত্যা মামলার আসামী। আমি সুষ্ঠ বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করবো।
অভিযুক্ত মাইন উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিবার কল করেও বক্তব্য নেয়া যায়নি।
লাকসাম থানা পুলিশের ওসি সাহাবুদ্দিন খান বলেন, ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।





























