
স্টাফ রিপোর্টার : আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পরিচয়ে সিফাত হোসাইন সবুজ নামে এক প্রতারক মামলা সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগ তুলেছে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। চাঁদাবাজির অভিযোগে ফতুল্লা থানা বিএনপির বহিস্কৃত নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী গ্রেপ্তারের পর আইন সহায়তায় এ প্রতারক যুগ্ম সচিব পরিচয়ে প্রশাসনকে নানা বিভ্রান্ত করে আসছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রতারক সিফাত হোসাইন সবুজ, রাজবাড়ী সদর দক্ষিণ চৌবাড়িয়া এলাকার মুহাম্মদ মোতাহার হোসেনের ছেলে। জানাগেছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা বিএনপির বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ফতুল্লা থানার মামলা নং- ৩৮(৫)২০২৫ ও ৪১(৫) ২৫ দুইটি মামলা সিরিয়াল ব্যতীত ফতুল্লা থানা বিএনপির বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীকে দুই দিনের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে জামিন করাবে বলে তৎপর হয়ে উঠেছে আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পরিচয়দানকারি সিফাত হোসাইন সবুজ । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ওই প্রতারক আইন মন্ত্রনালয় বা কোন মন্ত্রনালয়ের কোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা নন।। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত প্রতারকের ছবি ও মোবাইল নম্বর পরীক্ষার মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছে ফতুল্লা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সাধারন জনগন। আওয়ামী দোসর, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কোনরূপ তদবির/প্রতারনার মাধ্যমে তদবির করতে না পারে । এ ব্যাপারে আশু ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা।এ ব্যপারে আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পরিচয়দানকারি সিফাত হোসাইন সবুজের সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তদবির করছেন বলে স্বীকার করে তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগের কোনো নেতার তদবিরে প্রমাণ দিতে পারবে না। আপনি পারলে একটার প্রমাণ দেন। মিথ্যা মামলায় কেউ হয়রানী হয়। সে ব্যাপারে তদবির করতে হয়। বক্তব্য শেষে তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পরিচয় প্রদান করেছেন।





























