
নারায়ণগঞ্জ শহরের যানজট সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং অবৈধ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ট্রাফিক বিভাগ, জেলা পুলিশ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং বিকেএমইএ প্রতিনিধিদের নিয়ে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৬০ জন সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং ১০ জন সুপারভাইজার যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি, শহরের ৮টি প্রবেশপথ চিহ্নিত করে অনুমোদনহীন ইজিবাইক ও স্বল্পগতির যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে রোড সাইন স্থাপন ও নির্দিষ্ট রুটের যানবাহনের জন্য আলাদা রঙ চিহ্নিত করা হবে। চাষাড়া থেকে সাইনবোর্ড অভিমুখী চানমারি পর্যন্ত অস্থায়ী রোড ডিভাইডার স্থাপন করা হবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। মীর জুমলা রোডে বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ হকারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
যানজট নিরসন কার্যক্রমের জন্য সিভিক ভলেন্টিয়ারদের পারিশ্রমিক বিকেএমইএ ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার থেকে দেওয়া হবে। সার্বিক বিষয় সমন্বয়ের জন্য সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোনাব্বর হোসেনকে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীকে যানজট সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা অভিযোগ জানাতে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে। যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর: ০১৭৬৬৭৫০৩৯৯। জেলা প্রশাসনের আশা, এসব উদ্যোগের ফলে রমজান মাসে নগরবাসী নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে এবং যানজট সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।





























