
নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো: বগুড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)-এর নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে আতিকুল ইসলাম ওরফে সাদ্দাম নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে একজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরেকজন পালাতক রয়েছেন।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত বগুড়া সদর থানাধীন মেরিনা রোডে অবস্থিত “মেরিনা কমপ্লেক্স”-এর ষষ্ঠ তলার ৬১০ নম্বর দোকানঘরে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসির ‘ক’ সার্কেলের একটি দল।
এসময় ডিএনসির চৌকস টিমের তল্লাশীকালে দোকানঘরের ভেতরে মেঝেতে রাখা একটি লাল রঙের টিস্যু ব্যাগের মধ্যে থেকে কমলা রঙের ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের ৭০টি ব্লিস্টার থেকে ৭০০ পিস ট্যাবলেটসহ আতিকুল ইসলাম ওরফে সাদ্দামকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
সাদ্দামকে জিজ্ঞাসাবাদে করলে সাদ্দাম ডিএনসির টিমকে জানায়, তিনি পলাতক দিত্বীয় নম্বর আসামি শামীম হোসেনের দোকানের কর্মচারী এবং পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের ব্যবসা করে আসছিলেন।
গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম বগুড়া পৌরসভার ২১নং ওয়ার্ডের শেখপাড়া পূর্বপাড়ায় এলাকার বকুল মিয়ার ছেলে আতিকুল ইসলাম ওরফে সাদ্দাম (২১)। আরেকজন পালাতক মাদক ব্যবসায়ী একই এলাকার মিয়ার ছেলে শামীম হোসেন (২৫)।
এ বিষয়ে ডিএনসি বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন,“বগুড়ায় মাদক পাচার ও অবৈধ মাদক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। “মেরিনা কমপ্লেক্স”-এর ষষ্ঠ তলায় ভাড়াকৃত দোকানঘর থেকে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রমাণ করে, এই চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছিল।”
তিনি আরও বলেন,“ট্যাপেন্টাডল একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও নেশাজাতীয় ওষুধ। এর অপব্যবহার তরুণ সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদকাসক্তি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমাদের অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।





























