
শাহীন মিয়া
অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অষ্টগ্রাম সরকারি রোটার ডিগ্রী কলেজ এর অধ্যক্ষ ফ্যাসিবাদের গডফাদার মোস্তফা খান আরিফ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তিনি দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা এবং অবৈধ কার্যকলাপের মাধ্যমে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।
তিনে বিগত ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন ছিলেন এই রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কলেজে রাজত্ব কায়েম করেন।
তিনি বিগত ১০ সালে ফ্যাসিবাদী আমলের সরকারি দলের বড় নেতা হওয়ার কারণে সরকারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগবিধি লংঘন করে ক্ষমতা ও প্রশ্ন জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজের অধ্যক্ষ পদ দখল করেন। তিনি/১/৬/২০২৫/ ইং তারিখে তার বর্তমান পদ প্রভাষক সমাজবিজ্ঞান হতে পদত্যাগ করেন এবং ২/৬/২০১০ ইং তারিখে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। অবৈধ নিয়োগের বিরুদ্ধে অত্র কলেজের একজন সিনিয়র শিক্ষক সৈয়দা নাসিমা আক্তার (সহকারী অধ্যাপক ইতিহাস) মহামান্য হাইকোর্টের রিড পিটিশন দায়ের করেন। মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করেন। প্রায় এগারো মাস পর পুনরায় তিনি প্রভাষক পদে ফিরে যান এবং একত্রে এগারো মাসের বেতন ভাতা উত্তোলন করেন যদিও উত্তর প্রভাষক থেকে তিনি ১/৬/২০১০/ ইং তারিখে পদত্যাগ করেছিলেন।
অভিযোগ রয়েছেন অত্র কলেজের বৈধ শিক্ষক পিয়াল হককে মোস্তফা খান আরিফ ও তার সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী শারীরিকভাবে নির্যাতন করে জোরপূর্বক কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেন জনাব পিয়াল হক পদত্যাগ করেননি বিধায় অধ্যক্ষ পদটি শূন্য ছিলনা। অভিযোগ রয়েছে তিনি যখন প্রভাষক পদে নিয়োগ পান তখনও নিয়োগ পরীক্ষার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেও ক্ষমতাও বেশি শক্তির বলে তৎকালীন ইভনিং বডির সভাপতি জনাব জহিরুল হক নসিম সাহেব সহ নিয়োগ কমিটির অনেকের স্বাক্ষর জাল করে প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি ২০২০/১১/ ইং তারিখে শিক্ষাবর্ষের বিএ পাস ছাত্র-ছাত্রীদের সকলের অপবৃত্তি সুমদয় টাকা আত্মসাৎ করেন ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমেও টাকা আত্মসাৎ করেন।
আইসিটি প্রভাষক জনাব শফিকুল ইসলাম অন্যায় ভাবে ২০১০ সাল থেকে বরখাস্ত করে কলেজ ফার্ম থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তার বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন শফিকুল ইসলামের পক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা আদালত পরবর্তীতে মহামান্য হাইকোর্টের রায় প্রদান করার পরও তাকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই। এছাড়াও কলেজের খন্ডকালীন শিক্ষক জনাব আব্দুল বাসার প্রভাষক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রাজীব রায় প্রভাষক তথ্য ও প্রযুক্তির শ্যামল চন্দ্র রায় প্রভাষক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দাহ সীনা নওরিন প্রভাষক ব্যবস্থাপনা কে বিনা কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশে বরখাস্ত করেন। ২০২০/,২০২১,২০২২,২০২৩, সাল থেকে উপবৃত্তির সমস্ত টাকা বেনামী একাউন্টে এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীর টাকা আত্মসাৎ করেন।
তার বিরুদ্ধে অসংখ্যক শারীরিক অসাধ আচরণের অভিযোগ রয়েছে কর্মস্থলে প্রায় তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কলেজে উপস্থিত হন যা শিক্ষা পরিবেশকে মারাত্মক বিঘ্নিত করে তার ত্রাসের কারণে শিক্ষক কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মোস্তফা খান আরিফ এর নামে বিগত ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর সরকার পতনের পর অষ্টগ্রাম থানা আওয়ামী ফার্সিবাদের গডফাদার হিসেবে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কর্তৃক তার বিরুদ্ধে দুটি বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি।





























