
শাহিন মিয়া অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি:
অষ্টগ্রামে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫ প্রথমবারের মত ২৬ নভেম্বর থেকে,২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহ ব্যাপী সারাদেশে একযোগে পালন করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় বর্ণাঢ্য রেলী উদযাপনের মাধ্যমে, গত ২৬/নভেম্বর, জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫ পালন অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। উপজেলার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে ২৬ শে নভেম্বর বুধবার প্রথম দিনে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা আ প্রদর্শনীর ৩০টি স্টলে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় প্রাণী ও প্রাণিসম্পদের বিভিন্ন প্রযুক্তি উপস্থাপন করা হয়। দেশী ষাড়, দেশী গাভী, ব্ল্যাক বেঙ্গল গোট, সংকর জাতের ছাগল, দেশী ভেড়া, গাড়ল, খরগোশ, বিভিন্ন পোষা প্রাণী, বিভিন্ন ধরনের সৌখিন পাখি, দেশী ও গিরিবাজ কবুতর, দেশী উন্নত জাতের আসিল মুরগী, তিতির, কোয়েল, কিং মোরগ ও বিদেশি জাতের বিভিন্ন আকর্ষণীয় মুরগী, বাচ্চাসহ দেশী মুরগী, রাজহাঁস, মাসকোভী জাতের হাঁস, হাওর অঞ্চলে পালিত হাঁসের ডিম, মুরগীর ও কোয়েলের ডিম ইত্যাদির উপস্থিতিতে প্রদর্শনীটি দর্শক ও উদ্যোক্তাদের প্রাণিসম্পদ প্রতিপালনে উৎসাহিত করেছে। প্রদর্শনীতে আসিল মুরগীর কক ফাইটিং সবাইকে বাড়তি বিনোদন প্রদান করেছে। প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তির মধ্যে উন্নত জাতের নেপিয়ার পাকচং ও নেপিয়ার পাকচং রেড ঘাস, গ্রাস চপার মেশিন, মিল্কিং মেশিন এবং অ্যানিমেল ডিজিজ ও প্র্যাগন্যান্সী ডায়াগনোসিসের জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাফী মেশিন দর্শক, খামারী ও সুধীজনদের দৃষ্টি আকৃষ্ট করেছে। দুগ্ধজাত পণ্যের মধ্যে ছিল অষ্টগ্রামের বিখ্যাত পনির, দই ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য। এ বারের প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের মূল উপপাদ্য বিষয় ছিল 'দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি : প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি।' প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন মোছা: দিলশাদ জাহান, সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অষ্টগ্রাম ; বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আবদুল আহাদ, সহকারী কমিশনার(ভূমি); ডা: শাহ মো: মহিবুল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা; জনাব অভিজিৎ সরকার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, জনাব রুহুল আমিন, অফিসার ইন সার্জ, অষ্টগ্রাম থানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা: মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ভূইয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ । বক্তারা প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং প্রাণিসম্পদ খাতকে বর্তমান সময়ের একটি প্রধান সম্ভাবনাময় খাত বলে উল্লেখ করেন। পরে খামারিদেরকে পুরস্কার প্রদান, সনদপত্র বিতরণ ও সবার মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।





























