
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলার ঘটনায় আমিনুল নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। এতে তাহমিনা নাছরিন নামে এক নারীকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। আমিনুলকে মাথায় আঘাত করলে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের আশুতিয়া গ্রামে। (৩১ মার্চ) রবিবার সকালে তাহমিনা নাছরিন বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন কিশোরগঞ্জ সদর থানার কয়ারখালী গ্রামের আমিনুল ইসলাম খোকা ও তার ছেলে আবির হোসেন, সাহেদ আলী ও তার ছেলে মোঃ নাঈম আহম্মেদ, সাহেদ আলীর স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন ও পাকুন্দিয়া উপজেলার আশুতিয়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নান ওরফে মনে'র ছেলে নজরুল ইসলাম বাচ্চু। অভিযুক্তরা পাকুন্দিয়া ও কিশোরগঞ্জ সদর থানার বর্ডার এলকার বাসিন্দা।অভিযোগসুত্রে জানা যায় বিবাদীগনের সাথে জমাজমি সংক্রান্তে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে । (৩০ মার্চ) শনিবার বিকাল অনুমানিক ০৩.৩০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত বিবাদীগন ধারালো দা, লাঠি, লোহার রড নিয়া বসত বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া তাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করলে তাছলিমা নাছরিন প্রতিবাদ করলে বিবাদী আমিনুল ইসলাম খোকার হুকুমে অনাদ্য বিবাদীগন বাদীকে এলোপাথারী মারপিট করে। বিবাদী মোঃ নাঈম আহম্মেদ ইমন বাদীর পড়নের কাপড় ধরিয়া টানা হেচড়া করিয়া শ্রীলতা হানি করে। বিবাদী আম্বিয়া তাহমিনা নাছরিনের গলায় থাকা চারআনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। মারপিটের সময় তার স্বামী মোঃ আমিনুল ফিরাইতে গেলে বিবাদী আবির হোসেন তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া তার স্বামীকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথায় কুপ মারিয়া রক্তাক্ত করে। এলাকাবাসী আহত আমিনুলকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এ বিষয়ে জানতে বিবাদীগনের সাথে যোগাযোগ করা হলে কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান টিটু বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























