
ইসমাইল হোসেন পোরশাঃ রোদে বৃষ্টিতে নেই কোন একটা নির্দিষ্ট স্থান। প্রতিদিন বসেন একটি ছাতা নিয়ে ছাতার নিচেই তার দোকান। এখানে বসেই সারাদিন জুতো সেলাই করেন। সকাল ৮ টায় দোকান শুরু করে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে তার বেচাবিক্রি। কারো সঙ্গে দেন না কোন আড্ডা নিরব নিভৃতিতে নিজের কাজ করে যান তিনি।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চলে তার এই ব্যবসা।
এই দিয়েই চলে তার সংসার। সংসারে সদস্য সংখ্যা চারজন দুই ছেলে বিয়ে করেছে মোট ৬ জন। এই ব্যবসা দিয়ে কতখানি আয় হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন ১০ থেকে ১২০০০টাকা আয় হয় এই দোকান থেকে। ভালোভাবেই সংসার চলে তার। বাসা কোথায় জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ছাওড় ইউনিয়নের মশিদপুর হাটের রাস্তার ধারে। তার জীবনের কিছু কথা বলতে বলতে তিনি কেঁদে কেঁদে বললেন আমার বাড়ি আসলে নিয়ামতপুর উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে বাবার ছিল ৩৫ বিঘা সম্পত্তি। চাচা ভাইদের সঙ্গে যে কোন বিবাদে সমস্ত জমি বাবা বিক্রি করে ফেলেছিলেন। উপায় না পেয়ে শুরু করি এই জুতা সেলাই করার কাজ। এই জুতো সেলাই করি প্রতিদিনই আয় হয় যাহা তা দিয়ে ভগবান ভালোই কাটিয়ে দেন আমাদের। কারো কাছে হাত পাততে হয় না। তেমন কোনো ঋণ মহাজন নেই যা আয় হয় তা থেকেই ব্যায় করেই সংসার চালাই।
বর্তমানে দুটি ছেলে কুশল পাড়া মরে নাপিতের কাজ করে। রোদ হলে ছাতা ফুটায়ে বসেন ফুটপাতে আবার বৃষ্টি হলে কিছুক্ষণের জন্য মার্কেটের বারান্দায় উঠে বসেন। বৃষ্টি চলে গেলে আবার ওই ফুটপাতে বসেন জুতো সেলাই করতে।
তিনি বলেন ভগবানের মেহেরবানীতে ভালোই চলে আমার সংসার ও দিন পথ আমি সুখী।





























