
মোঃমাহবুবুর রহমান রানা সাটুরিয়া মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার দিঘুলিয়া ইউনিয়নের ১নাম্বর ওয়ার্ডের নজরুল ইসলামের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তাটি ভেঙে বড় আকারের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি একদিকে টাঙ্গাইল এবং অন্যদিকে মানিকগঞ্জ জেলার সাথে মিলিত হয়েছে।এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ হাজারো মানুষ চলাচল করে থাকে।
রাস্তাটি দিয়ে প্রতিনিয়তই আসা-যাওয়া করছে অটোরিকশা,মোটরসাইকেলসহ ছোট-বড় সব ধরনের যানবাহন।ভাঙা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে রিকশা ও অটোরিকশার যাত্রীরা যেমন নাকাল হচ্ছেন,তেমনি প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।এ ছাড়াও এই রাস্তাটি দিয়ে এই অঞ্চলসহ আশেপাশের প্রায় দশ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে।কিন্তু রাস্তাটি ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় জনদুর্ভোগ এখন চরম আকার ধারণ করেছে।এ ছাড়াও বৃষ্টির পানি জমে রাস্তাটি কাদা-পানিতে একাকার ফলে পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানান ভুক্তভোগীরা।তারা বলছেন রাস্তার এই করুণ অবস্থা হলেও দেখার যেন কেউ নেই।অথচ রাস্তাটি দশ গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা।
বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,রাস্তাটি ভেংগে সৃষ্টি হয়েছে বড় আকারের গর্ত।এছাড়াও রাস্তার পাশে রয়েছে একটি পুকুর ফলে রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই ভেঙে পড়ে ফলে গাড়িসহ মানুষের চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভোগ।বিশেষ করে রাতে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে বলে জানালেন একাধিক অটোচালক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত কয়েকদিন আগে কিছু জিও ব্যাগ রাস্তায় পাশের ভাঙ্গা জায়গায় ফেলা হয়েছে কিন্তু সেটাও কোন সমাধান মেলেনি।গত দুই দিনের বৃষ্টিতে সেটিও ডেবে গিয়েছে।
অটোচালক রহিজ মিয়া বলেন,এই রাস্তাটি দিয়ে চলাফেরা করতে অনেক কষ্ট হয়।আমরা এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করি।ভাঙা রাস্তার কারণে গাড়ি প্রায়ই বিকল হয়ে যায়।এ ছাড়াও গর্তের কারণে অটো থেকে যাত্রীদের নামিয়ে তারপর গর্ত পাড় হতে হয়।রাতে চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু মিয়া বলেন,এ রাস্তা দিয়ে চলাচলে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়।হাঁটতে গেলেও ভয় হয় কখন গর্তে পা পড়ে ভেঙে যায়।এ রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামতের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে থাকা প্রশাসক তানভীর আহমেদ বলেন,রাস্তাটি বৃষ্টির কারণে ভেঙে গেছে।আমরা সাময়িকভাবে চলাচলের জন্য রাস্তাটি সংস্কার করেছি তবে রাস্তাটি এলজিইডির প্রকল্পের আওতায় তাই আমরা তাদের কাছে রাস্তাটি সংস্কারের আবেদন জানিয়েছি।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী ইমরুল হাসান বলেন,প্রাথমিকভাবে চলাচলের জন্য রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে।তবে রাস্তাটি স্থায়ী সমাধানের জন্য সংস্কার কাজের টেন্ডার চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।টেন্ডার পাস হলে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।





























