
শেরপুর প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুরের তিনটি আসনে বিভিন্ন দলের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে ইন্টারপার্টি হারমোনি ডায়লগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ১১ টায় শহরের নিউমার্কেটস্থ আলীশান কমিউনিটি সেন্টারে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীদের মধ্যে ‘আন্তঃদলীয় সম্প্রীতি সংলাপ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম, শেরপুর ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
শেরপুর জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশের সভাপতিত্বে এবং মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান রূপনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আরিফ আহমেদ ও শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের প্রার্থী কাজী হায়াত প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ফেইক আইডি দিয়ে নামে-বেনামে গুজব ও উস্কানিমূলক কথাসহ নানা ধরনের অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন গুরুত্ব দিয়ে এগুলো উদঘাটন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে আগামী দিনের নির্বাচনী পরিবেশ ও রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। বক্তারা আরও বলেন, শেরপুর অনুন্নত একটি জেলা। এখানে রেললাইন, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। শেরপুরকে উন্নত করতে হলে সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের ঐক্যবদ্ধ থাকা খুবই জরুরি।
এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শওকত আহমেদ প্রমুখ।
ওইসময় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের অন্যান্য সদস্যগণসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





























