
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করা কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১৯ আগস্ট) এ বিষয়ে এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ড. শরীফ ভুঁইয়া ও ব্যারিস্টার রেদোয়ানুল করিম।
তারা আদালতের আদেশের বিষয়টি ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেন।
আইনজীবীরা জানান, সংবিধানের এই সংশধনীর মাধ্যমে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। যার কারণে নির্বাচনের সময় অনেক তাজা প্রাণ ঝড়েছে। শত শত মানুষ মারা গেছে।
তারা আরও জানান, জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী করা হয়েছে অন্যায়ভাবে। এটি পাস করে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) রিটটি দায়ের করা হয়। রিটকারীরা হলেন সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজ উদ্দিন এবং বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে না পারা দুইজন তরুণ ভোটার।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদেরকে রুলে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এই সংশোধনীতে সংবিধানে কিছু তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়।
সংশোধনীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বাতিল করা হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। যদিও তাতে আরও দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রাখা যেতে পারে বলে সুপারিশও করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়।







































