
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন : ঢাকার জেলার ধামরাইয়ে "ক্রাউন ইউরো ইন রির্সোট এন্ড হোটেল" এর বিরুদ্ধে কর্মকতা ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও ভাতা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । এবিষয়ে ঢাকার শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এর ভিত্তিতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক এর কার্যালয়ের ২৩৪২৯ নং স্মারক পর্যালচনা করে জানা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ০১/০৭/২০২৪ইং তারিখে মোস্তাফিজুর রহমানকে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন ক্রাউন ইউরো ইন রির্সোট এন্ড হোটেল । নিয়োগ-পত্রের শর্তানুযায়ী তিন মাস পর্যন্ত প্রবেশনারী হিসেবে কাজ করতে হবে ,তিন মাস পর কোম্পানীর নিয়ম অনুযায়ী চাকুরী স্থায়ীকরন করা হবে।সে অনুযায়ী সেপ্টেম্বর মাসেই তার তিন মাসের প্রবেশনারী মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং অক্টোবর মাস থেকে তার চাকুরী স্থায়ী করন হয়ে যায়।কিন্তু ক্রাউন ইউরো ইন রির্সোট এন্ড হোটেল গত ২/১০/২০২৪ ইং তারিখে কোন ধরনের লিখিত নোটিশ না দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে মৌখিকভাবে চাকুরীচুত করে এবং তার নিকট থেকে কোম্পানির দেওয়া মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। যেটি কোম্পানির নিয়োগ পত্রের পরিপন্থী। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী কোন কর্মকর্তা কর্মচারীকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দিতে হলে অবশ্যই তিন মাস পূর্বে তাকে নোটিশ প্রদান করতে হবে। চাকুরিতে যোগদানের তারিখ হইতে মৌখিক ভাবে চাকুরিচ্যুত করার সময়কাল ছিলো ৪ মাস,এর মধ্যে ক্রাউন ইউরো ইন রির্সোট এন্ড হোটেল মোস্তাফিজুর রহমানকে জুলাই মাসের পূর্ন বেতন ও আগস্ট মাসের ১৫ দিনের বেতন প্রদান করে। বাকি দুই মাস পনের দিনের বকেয়া বেতন দিতে নানা ধরনের টালবাহানা ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য হুমকি ধামকি ও মামলার ভয় দেখায়। ফলে বাধ্য হয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরেরউপমহাপরিদর্শক এর কার্যালয়ে অভিযোগ প্রদান করেন মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর গত ২৪/১০/২০২৪ ইং তারিখে দুই পক্ষকে সাথে নিয়ে মধ্যস্তাকরার মাধ্যমে বিযয়টির নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহন করে ঢাকা জেলার শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) জাহাঙ্গীর হোসাইন, কিন্তু দুই পক্ষেের বক্তব্য শুনে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া উপ-মহাপরিদর্শক এর কার্যালয়ের ২৩৪২৯ নং স্মারকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) জাহাঙ্গীর হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১২৪-ক মোতাবেক বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় শ্রম আদালতের দারস্থ হওয়ার জন্য প্রতিবেদন দেন। এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন ভাতা পরিশোধ না করে চাকুরীচ্যুত করার ঘটনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিগত সরকারের আমলের প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে ভুক্তভোগীরা আইনের সহায়তা গ্রহণ করতে ভয় পেত । তাদের মধ্যে এসকে জামিল আহমেদ রাব্বি যিনি এই প্রতিষ্ঠানের অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাকে কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়া চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।এ ছাড়াও মাসুদ ইউসুফ নামে অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত এক কর্মকর্তার সাথেও একই ঘটনা ঘটিয়েছে ক্রাউন ইউরো ইন রির্সোট এন্ড হোটেল ।





























