
‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ স্লোগানে তরুণ লেখকদের নিয়ে কাজ করছে অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম’। লেখালেখির পাশাপাশি অন্যান্য সৃজনশীল ও সামাজিক কাজেও সরব উপস্থিতি রয়েছে সংগঠনটির। চলতি বন্যা পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে ফোরামের সদস্যরা। তহবিল গঠন করে বন্যার্তদের মাঝে পৌঁছে দিয়েছেন ত্রাণ সহায়তা।
বন্যা পরিস্থিতি শুরু হলে গত ২২ আগস্ট বাংলাদেশ তরুণ কলাম
লেখক ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয় ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান উদ্দিন স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে সর্বোচ্চ সহায়তা নিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে এক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের বড় একটি এলাকা এখন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে ভুগছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ সহায়তা নিয়ে বন্যা মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সর্বস্তরের সদস্য ও নেতৃবৃন্দকে সর্বোচ্চ সহয়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয় এই বিজ্ঞপ্তিতে। একই সাথে নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলো চিহ্নিত করে তা সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষদের জানানোর আহ্বান করা হয়।
এরপর কেন্দ্রীয়ভাবে তহবিল গঠন করে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এবং কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। গত শনিবার (২৪ আগস্ট) মিরসরাইয়ের ১০নং মিঠানালা ইউনিয়নে বানের জলে আটকে পড়া মানুষের মাঝে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, শিশু খাদ্য, মোমবাতি, লাইটার, সাবান, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ঔষধ প্রদান করা হয়। এসময় বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এর প্রতিনিধি ছাড়াও ইচ্ছেপূরণ মানবিক ফাউন্ডেশন এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব সীতাকুণ্ড (ডুসাস) এর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একই সময় ফোরামের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার একটি দল কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম তালতলায় অর্ধশতাধিক পরিবারের কাছে জরুরী সামগ্রী পৌঁছে দেয়। সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জানা যায়, পরবর্তীতে তারা লক্ষ্মীপুর জেলায় ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ফোরামের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অর্থ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন বলেন, ফোরামের পক্ষ থেকে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চেষ্টা করেছি এমন স্থানে ত্রাণ পৌঁছানোর যেখানে খুব কমই ত্রাণ পৌঁছেছে। আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা এবং সকলের সহযোগিতায় আমরা কিছু মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে সক্ষম হয়েছি।
/তানজিদ শুভ্র





























