
মোঃ জাহিদুল ইসলাম
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
দুমকীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকারে বাঁধা দেয়ায় প্রশাসনের ওপর হামলার অভিযোগে ১৮ জনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৩১অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঙ্গারিয়া এলাকায় পায়রা নদীতে মা ইলিশ শিকারের সময় উপজেলা টাস্ক ফোর্সের নিয়মিত অভিযানে মাছ ধরার অভিযোগে ২ জন জেলেকে আটক করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাকেরগঞ্জের দুধল মৌ এলাকা থেকে ট্রলার যোগে প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ এসে প্রশাসনের ওপর হামলা করলে ১৮ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত সকলের বাড়ি বাকেরগঞ্জের উত্তর দুধাল মৌ এলাকায়। আটককৃতরা হলেন- আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে হৃদয় হাওলাদার(২৩), কামাল হাওলাদারের ছেলে সাবু হাওলাদার(২০), জালাল হাওলাদারের ছেলে শাওন হাওলাদার(২০), জব্বার নকীবের ছেলে ইমাম নকীব(২৭), টিপু হাওলাদারের ছেলে হাফিজুল ইসলাম(১৮), মৃত. আবদুল গনি হাওলাদারের ছেলে মো: নাসির হাওলাদার(৫২), সৈয়দ মাহবুবুল আলমের ছেলে সৈয়দ ফাহাজুল হাওলাদার(৩৯), মৃত. আবদুল বারেক হাওলাদারের ছেলে মোঃ রিয়াজ হাওলাদার(৩৩), মৃত. আকবর গাজীর ছেলে হালিম গাজী(৫৫), আবদুল আজিজ খলিফার ছেলে সিয়াম আহমেদ(২৮), নূর জামাল নকীবের ছেলে শাওন নকিব(১৯), নাসির হাওলাদারের ছেলে মোঃ রিজন হাওলাদার(১৮), নুরুল আলম বিশ্বাসের ছেলে জহিরুল ইসলাম(১৮) ও দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে মোঃ রনি হাওলাদার(৩০)।
পরে উপজেলা নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ও দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: শাহীন মাহমুদ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) নুসরাত জাহান ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারে আটককৃত ১৪ জনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু ৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এসময় ইঞ্জিল চালিত ১ টি ট্রলার জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, আংগারিয়া ইউনিয়নে পায়রা নদীতে ইলিশ শিকারের সময় ওই জেলেদের আটক করে দুমকি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত উক্ত টাস্ক ফোর্সের অভিযানে মোট ১৬ জনকে আটক করে জেল জরিমানা করা হয়েছে।





























