
মহেশখালী প্রতিনিধি।
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী বাংলাবাজার এলাকায় গত ১২ই অক্টোবর (শনিবার) পাওয়ানা টাকা ও পৈত্রিক সম্পত্তি চাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আবু মুছাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ৭ জনকে আসামী করা মামলা করা হয়েছে।
উক্ত মামলায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাদের অর্থজোগান দাতা মাতারবাড়ী বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা গডফাদার নুরুল আবছারকে ১নং আসামী এবং মাস্টার মাইন্ড মাহবুবুর রহমানকে ২ নং আসামি করে ৭ জনের নামে যে এজাহার দেওয়া হয়েছে তাতে ইউনিয়নের বাংলাবাজার কেন্দ্রীক দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে জিইয়ে থাকা বড় একটি অপরাধ চক্র চিহ্নিত হয়েছে বলে ধারণা করেছেন সুশিল সমাজের লোকজন। এছাড়াও হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী আ'লীগের অর্থজোগান দাতা আবছার গংরা নিজেদের নিরপরাধ বলে প্রতিষ্টিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
জানাগেছে, তারা বিচার শালিসের নামে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে প্রহসন করে আসছেন। মুলত বিচার শালিসে একপক্ষে রায় দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন মামলার ২নং আসামী মাহাবু্বুর রহমান ফারুকী বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এতে আবছারের পক্ষ হয়ে পুরো গ্যাংটির দেখা শোনা করেন মামলার ৩নং আসামী সাদ্দাম হোসেন নামে যুবকটি।
অন্যন্যা আসামীরা হলেন,নুরুন নবী, নুরুচ্ছফা, নুরুল মুছা, রিয়াজ উদ্দিন।
কিন্তু আবছার সিন্ডিকেট হামলা ও অস্ত্র মহড়া চালানোর বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মোটা অঙ্কের চুক্তির মাধ্যমে একজন মাসিক বেতনের চাকুরী করা মৌসুমি সংবাদকর্মীর যোগসাজসে স্থানীয় গণমাধ্যম কক্সবাজারের ২/১টি অফিসকে ভুলভাল তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। যার সাথে সংঘটিত ঘটনাটি আবছার ও মাহবুবুর রহমানের পক্ষ হয়ে সাফাই গাইতে এজেন্ড বাস্তবায়নের মিশনে নেমেছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে আহত আবু মুসার হামলা বিষয়টি সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপ্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন হামলার শিকার আবু মুসা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
আহত আবু মুসার দাবি আমাকে কুপিয়ে মাথা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে ফেলে আবছারসহ অন্যন্যা আসামীদের ঘটনার সময় তারা এলাকায় ছিলনা বলে প্রচার চালিয়ে ঐ চক্রের অন্যতম গডফাদার হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী আবছারসহ মাহবুবুর রহমানকে সাধু বানাতে চক্রটি মরিয়া হয়ে উঠায় জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় জাকের নামে এক ব্যক্তি জানান আসামীর অধিকাংশ লোকজন দখলবাজ। এদের শাস্তি হওয়া দরকার। একজন মানুষকে এভাবে কেউ মেরে রক্তাক্ত জখম করে। অভিযোগ রয়েছে মুসার পিতা আব্দু ছালাম মারা যাওয়ার পর বড় ভাই হিসাবে নুরুল আবছার থেকে পাওয়ানা টাকা, পৈত্রিক ভিটা ও জমি-জমি চাইলে বিভিন্ন সময় নানা রকম হুমকি ধমকি দিতেন নুরুল আবছার আহত আবু মুসাকে। এ বিষয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগার পর আবছারের বিরুদ্ধে গত ১১.১২.২০২৩ইং আবু মুসা বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। জিড়ি নং-৫৫৬।
জিডি করলে ও ক্ষান্ত হননি আবছার বাহিনী বরং মুসাকে জখম করতে তার পালিত সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করান। ১২ অক্টোবর (শনিবার) রাত ১০ টার সময় শুক্রবার উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৭/৮ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা হামলা-করার সময় ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘটনার পর খবর পেয়ে মাতারবাড়ী পুলিশ ক্যাস্পের আইসি রাজীব ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় আবু মুসা বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেছি। যার মামলা নং- ২৪/ তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ইং।
আহত আবু মুসা তার হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্টু বিচারের পাশাপাশি তার পাওনা টাকা ও পৈত্রিক সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার দাবি জানান।
মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের তৎপরতা রয়েছে যে কোন মুর্হুতে গ্রেফতার হবে।





























