
মুন্সীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৩১৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
রবিবার (৪ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ শহরের সুপার মার্কেট চত্বরে কৃষি ব্যাংকের সামনে গুলিতে নিহত ডিপজল সরদারের নানি শেফালি বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
বাদীপক্ষের দায়ের করা এজাহারে বলা হয়, ‘আসামিদের এহেন কাজে কতিপয় দুর্নীতিবাজ ও দলীয় নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য সহায়তা করে।’
মামলা সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সুপার মার্কেট চত্বরে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছিল। এ সময় মুন্সীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সাগর ডিপজলকে গুলি করেন। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগরে নেতা-কর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। ডিপজল সরদার ওই ঘটনায় মারা যান। এ ঘটনায় অন্তত ৯০ জন গুলিবিদ্ধ হন।
শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের বাদে মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও জেলার সাবেক তিন সংসদ সদস্য।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম খবরের কাগজকে মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে মামলার আসামিদের বিষয়ে তিনি তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) একই এলাকার রিয়াজুল ফরাজীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লবকে প্রধান আসামি করে ২০৮ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০৮ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার বাদী হন আন্দোলনে নিহত রিয়াজুল ফরাজীর স্ত্রী রুমা বেগম।





























