
গোলাম শাহাদাৎ সোহেল- স্টাফ রিপোর্টার
নেত্রকোনায় পৌরসভা দিন শত কোটি টাকার পৈত্রিক সম্পত্তি এক ছেলে এককভাবে দখলে নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িওয়ালা শহিদুর রহমান বাবলু । সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি দিয়ে তার পিতা -মৃত আব্দুর রহমান ভূঁইয়া (খুশি ডাক্তারের) রেখে যাওয়া শহরের মিডিল পয়েন্টে শত কোটি টাকার প্রপার্টি একক ভাবে আত্মসাত করছে বলে দাবি ওয়ারিশানদের।
যানা যায় মৃত: আব্দুর রহমান ভূঁইয়া ইয়া (খুশি ডাক্তারের)
দুই ছেলে ও ছয় মেয়ে ।এক ছেলে হেকমত সুলাইমান বিবেক বিয়ে না করেই ইন্তেকাল করায় বোনদের অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বাবার সকল সম্পত্তি বছরের পর বছর একা অবৈধভাবে ভোগ করছে শহিদুল রহমান বাবলু। এমতাবস্থায় শহীদুর রহমান বাবুর এক বোন জাকিয়া ফাতেমা রুবি জীবিত থাকায় উনার থেকে চক্রান্ত করে সকল বোনদের অংশ দলিল করে নিয়ে যাওয়ার পায়তারা করছে বলে যানায় মৃত বোনদের ছেলে মেয়েরা। ওয়ারিশ দারগণ আপত্তি বা প্রতিবাদ জানালে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। বাধ্য হয়ে সকল অংশীদারারা একতা পোষণ করে তাদের নানার রেখে যাওয়া শহরের ছোট বাজারস্হ ওয়ালটন আর প্লাজা সহ অন্যান্য দোকান ভবনে ভাড়া না দেওয়ার নোটিশ জারি করেন। পাশাপাশি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটা অভিযোগ দায়ের করে।
স্থানীয়রা জানায় শহিদুর রহমান বাবলু একজন অলস ও দুষ্কৃতিকারী ব্যক্তি তিনি তার বাবার সকল সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে বোনদের। বাবার রেখে যাওয়া দোকান বাড়ায় ঢাকায় পরিবার নিয়ে বিলাসিতা জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। তার নিই কোনো নিজাস্ব বৈধ কর্ম নিজের বাসা দেখভাল করার জন্য রেখেছে মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতা শরিফ নামের এক ব্যক্তি তাকে দিয়ে মাদক বিক্রি করাচ্ছে সারা শহর জোরে। সমাজের ব্যক্তি বর্গগণ তাকে এই বিষয়ে কিছু বললে সে উওরে বলে শরিফ আমার বিশ্বস্ত সহযোগী সে আমার বাসায় থেকে যা ইচ্ছা তাই করবে এটা আপনাদের দেখার বিষয় না আর আপনাদের কাছে জবাবদিহি করতে আমি রাজি না।
অংশীদারগণ বলেন আমাদের প্রত্যেক বৈধ সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত করে দোকানের ভাড়া এককভাবে বুক করছে বহু বছর ধরে শহিদুর রহমান বাবলু। এমত অবস্থায় বারবার তাকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে অবগত করার পরেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি তাই প্রশাসনিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য করছি যেন আমাদের প্রাপ্য অংশটুকু আমাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
নেত্রকোনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বললেন এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি । অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























