
মজমুল হক গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি :
যে রাজাকার শব্দে দীর্ঘ ১৫ বছর ৭ মাস ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেতা কর্মীদের উপর অত্যাচার, জুলুম, নিপিড়ন, নির্যাতন করা হয়েছে, আল্লাহর কি মাইর সেই একই শব্দের কারনে হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ছাত্র- জনতার আন্দলনের মাধ্যমে তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়।
রোববার (৬ আগষ্ট) রাতে গঙ্গাচড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কমন রুমে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি গঙ্গাচড়া শাখার আয়োজনে, গঙ্গাচড়ায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা গুলো বলছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি রংপুর জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক রায়হান সিরাজী।
উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েবুজ্জামান এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন এসময় আমরা প্রকাশ্যে কোন রকম কার্যক্রম করতে পারিনি। তবুও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি থেমে থাকেনি। গোপনে আমরা আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম গুলো করেছি। এজন্য হয়তবা আপনারাও তা জানতেন না। এতদিন ফ্যাসিবাদী হাসিনার কারনে আপনারাও আমাদের কোন নিউজ প্রকাশ করতে পারেননি।
কিন্তু বর্তমান পরিবর্তিত সময়ে জামায়াতে ইসলামি কর্মকাণ্ড গুলো পত্র- পত্রিকায় তুলে ধরার জন্য গঙ্গাচড়ায় কর্মরত সকল সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি। এসময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বিদের সব চেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপুজায় তারা যেন নিরবিগ্নে অংশগ্রহণ করতে পারে, কোন সুযোগ সন্ধানীরা যাতে সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, তার দলীয় নেতা কর্মীদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে উদাত্ত আহবান করেন।
এসময় জামায়াতের উপজেলা শাখার নায়েবে আমির তাজ উদ্দিনও তাদের ভালো ভালো কাজ গুলো পত্র- পত্রিকায় তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ করেন। এসময় গঙ্গাচড়ায কর্মরত কয়েকটি প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারন সম্পদক সহ গঙ্গাচড়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ ও জামাতের বিভিন্ন নেতা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।





























