
স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরঃসুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তের চোরাই পথে বিনাশুল্কে নিয়ে আসা পাচারের সুবিধা দিয়ে প্রতি মেট্রিকটন কয়লা থেকে দেড় হাজার টাকা দক্ষিণা নিচ্ছেন, বড়ছড়া কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের নবগঠিত কমিটির উচ্চপদস্থ পদধারী বিএনপির নেতা।চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত এক সাংবাদিক। মঙ্গলবার(১৫সেপ্টেম্বর)সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন তথ্য নিয়ে স্ট্যাটাস দেন তিনি। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হওয়ায় নিমিষেই ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র,এতে বিভিন্ন মহলে জন্ম নেয় নানা কৌতূহল ও নানাবিধ মন্তব্য করে সংবাদের সত্যতা জন্য লেখাটির স্ক্রিনশট রেখে দেন অনেক সংবাদকর্মী।বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে পাওয়া যায় গেল ৫ই,আগস্ট শেখ হাসিনা গদিচ্যুত হওয়ার পর কয়লা ও চুনাপাথর আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন তাহিরপুর কয়লা ও চুনাপাথর আমদানিকারক সমিতির কার্যালয় দখল নেয় বিএনপিপন্থী নেতাকর্মীরা, যদিও এই সমিতির গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে সংঘর্ষের দেখা দিলে, সে দিন দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখা গিয়েছিল উপজেলা সীমান্তের বড়ছড়া এলাকায়। পরে তড়িঘড়ি করে দ্বন্দ্বের ডালপালাও স্তব্ধ হয় নিমিষে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেছেন, তাহিরপুর সীমান্তে চোরাচালান কারবার অতীতের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বড়ছড়া, কলাগাঁও, লালঘাট, চাঁনপুরসহ বিভিন্ন সীমান্তপথে বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাই কয়লাসহ বিভিন্ন পণ্য বিনাশুল্কে পাচার হচ্ছে দেদারসে। পাচারের কয়লা রাতের আধারে নৌকা-ঠেলাগাড়িযোগে বড়ছড়া কয়লা ডিপোতে রাখা হয। পরে বৈধ কাগজের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হয চোরাইপথে আসা কয়লা। আর বৈধতা দিতে প্রতি মেট্রিকটনে দেড় হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন নবগঠিত কমিটির উচ্চ পদস্থ পদধারী প্রভাবশালী জনৈক বিএনপি নেতা।উল্লেখ্য, কয়লা আমদানীকারক গ্রুপ কার্যালয় দথল বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন রুহুল আমিন। তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন তিনি। গেল ৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার সর্বত্র বিএনপি নামধারীদের চাঁদাবাজি-নৈরাজ্যের কথা উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করেন এই বিএনপি নেতা। অভিযোগের একাংশে উল্লেখ-উপজেলায় আওয়ামীলীগ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবৈধ চাঁদা আদায়ের সকল উৎস, বিভিন্ন হাট-বাজার, নৌকাঘাট ও "সমিতি দখল" এবং বালু মহালে সমঝোতায় জনদুর্ভোগ ও সাধারণ মানুষের উপর নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। ফলে জনসাধারণের মধ্যে দলীয় ভাবমূর্তির বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে উল্লেখ করে দলীয় হাইকমাণ্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন রুহুল আমিন।অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে
'সমিতির নামে কোন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড হয় না' বলে সাফ জানিয়েছেন তাহিরপুর কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি পদধারী বিএনপিনেতা খসরুল আলম।





























