
টাঙ্গুয়ার হাওর সংরক্ষণের নামে, শেয়ালের কাছে মুরগী বর্গা স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জঃসুনামগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা টাঙ্গুয়ার হাওর কে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করে, হাওরে গড়ে তোলা হয়েছিল মাছের একাধিক অভয়াশ্রম। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন উদ্যোগ।এতে হাওরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আনসার ও স্থানীয় সমিতির লোকজন কে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আনসার ও সমিতির লোকজন শেয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো হয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে আনসার ও সমিতির দায়িত্বশীল লোকজন হাওরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের নামে জেলেদের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে হাওরের অভয়াশ্রমসহ বিভিন্ন বিলে ও নদীতে মাছ ধরার সুযোগ দিয়ে থাকে। স্থানীয় কালা শ্রীপুর গ্রামের একাধিক জেলে জানায় আমাদের গ্রামের ৯টি কোনাজাল রয়েছে এছাড়া কৃষ্ণতলা ও গোলকপুর মিলে প্রায় ৩০টি কোনাজাল টাঙ্গুয়ার হাওরে মাছ ধরতে যাই।আমরা প্রতি সপ্তাহে কমিউনিটি গার্ড সালমানের কাছে জালপ্রতি ৩০০শত টাকা দেই।বিনিময়ে তারা আমাদের হাওরে মাছ ধরার সুযোগ দেয় ও প্রশাসন থেকে অভিযান হলে আমাদের সংবাদ দেয়।এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন তথ্যমতে জানাযায় এছাড়াও হাওরে প্রশাসন কর্তৃক অভিযানে আটককৃত চায়না দোয়ারি জাল বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রেখে অন্যত্রে বিক্রি করে এমন অভিযোগেও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । কিন্তু সমিতির সভাপতি বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম ও কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতা ও দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলেনি।প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বিগত কয়েকমাস পূর্বে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পরেই তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু হওয়ায়, সমিতির সভাপতি বজলুর রহমান নিজের অপকর্ম ডাকতে সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেও অন্য দুইজন স্বপদে বহাল থেকে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তাদের অপকর্ম চালিয়েই যাচ্ছেন।





























