
আহম্মদ কবির,স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জঃসুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট ও প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা টাঙ্গুয়ার হাওরে গাছের গোড়া থেকে মাটি সরে যাওয়ায়,ঝুঁকিতে রয়েছে শতশত করচ গাছ। রবিবার (১৭নভেম্বর)টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ-টাওয়ার এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখাযায় এখানকার সবকটি করচ গাছের গোড়া থেকে মাটি সরে গিয়ে মাটির নিজে থাকা শেকড় গুলো উপরে উঠতে শুরু করছে।এতে করে এখানকার শতশত করচ গাছ উপরে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।একাধিক গাছ হেলে থাকতেও দেখা গেছে। এখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানাযায় বর্ষায় টাঙ্গুয়ার হাওর এলাকার সবকটি কান্দা পানির নিচে চলে যায়।দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকা এসব কান্দার মাটি একেবারেই নরম হয়ে যায়,অন্যদিকে ওইসময়ে টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ-টাওয়ার এলাকার করচ বাগান গুলোতে পর্যটকদের সমাগম ঘটে খুববেশি,পর্যটকরা ওই বাগানের ভিতরে পানিতে নেমে হৈ-হুল্লোড় করে গোসল করায় তাদের পায়ের আঘাতে গাছের গোড়াসহ আশপাশের মাটি সরে যাওয়ার এখানকার শতশত করচ গাছ উপরে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। মা'হামুদ দাওয়া আল ইসলামিয়া চারগাঁও জয়পুর মাদরাসার পরিচালক মাওলানা শিহাব বিন জাহাঙ্গীর জানান হাওরের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্যমান অংশই হচ্ছে গাছগাছালি।আর এই গাছগাছালির সৌন্দর্য উপভোগ করতেই পর্যটকগণ বর্ষাকালে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে আসেন,কিন্তু তাদের মধ্যে অতি উৎসাহী কিছু পর্যটক গোসল করতে বাগানের ভিতরে প্রবেশ করে হৈ-হুল্লোড় করে এইসময় এখানকার মাটি নরম হয়ে থাকায় তাদের পায়ের আঘাতে গাছের গোড়া ও আশপাশের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি রয়েছে এখানকার শতশত করচ গাছ। উনি বলেন কর্তৃপক্ষ যদি বর্ষাকালে পর্যটকদের গোসলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু জায়গা নির্ধারণ করে দেন,তাহলে হয় হয়তোবা এই গাছগুলো রক্ষা হতে পারে। নইলে এইভাবে চলতে থাকলে দুই-তিন বছর পরে গাছগুলো হয়তোবা হেলে পরে যে পারে।এ বিষয়ে স্থানীয় জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা ইকো-ট্যুর গাইড হাবিবুর রহমান বাদশা জানান হাওরের সৌন্দর্যই হচ্ছে হাওরের চারপাশে থাকা গাছগাছালি যাহা দৃশ্যমান আর এসব দেখতেই টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের আগমন ঘটে। কিন্তু তাদের মধ্যে অতি উৎসাহী কিছু পর্যটকদের নিয়মবহির্ভূত ভাবে বাগানের ভিতরে প্রবেশ করে গোসলের নাম হৈ-হুল্লোড় করে গাছের গোড়ার মাটি সরিয়ে ফেলছে। বর্তমানে শতশত করচ গাছ উপরে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।





























