
মো: জুয়েল রানা, স্টাফ রিপোর্টার:
শীতের হাওয়ার মধ্যে সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে বিস্তৃত এলাকা। এক ফুল থেকে আরেক ফুলে গুণ গুণ করে মধু আহরণে ভিড় করছে মৌমাছিরা। কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। সেইসঙ্গে কৃষকরাও এবার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন। যদি প্রকৃতি বিরূপ আচরণ না করে তাহলে এবার তাদের বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস তথ্য মতে, এবার ৬০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে আবাদ হয়েছে ৪২১ হেক্টর জমিতে। যা গতবছর তুলনায় আবাদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবছর সরিষা আবাদ বেশি করেছে উপজেলার জগতপুর, বলরামপুর ও ভিটিকান্দি ইউনিয়নে।
উপজেলার জগতপুর গ্রামের সরিষা চাষি আবুল হোসেন জানান, এ বছর ২ কানি জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। কানি প্রতি প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সরিষার গাছ ভাল হয়েছে। আশা করছি বাম্পার ফলন হবে।
মাছিমপুর গ্রামের কৃষক নোয়াব মিয়া জানান, গত বছর বাজারে সরিষার দাম ভাল পাওয়ায় এবারও সরিষা চাষ করেছি ফলন ভালো ও দাম পেলে আগামী বছর আরো কয়েক কানি সরিষা চাষ করবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে এবং গতবছর তুলনায় এবছর বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। যা হেক্টর প্রতি সরিষার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৪০ মেট্রিক টন। তিনি আরও বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে আমরা সরকারিভাবে উন্নত জাতের সরিষা বীজ ও সার বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেছি। যে কারণে কৃষকরা আগ্রহ করে সরিষা চাষ করেছে। আমরা আশাবাদী, আগামীতে সরিষার চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।





























