
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী "শক্তি কিংবা ভয় দেখিয়ে নয়, ইনসাফ ও উদারতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চাই । ভালোবেসে এবং জনসেবা-মূলক কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চাই" । আলোচনার শুরুতে এমনটিই বলছিলেন ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের তরুণ ও উদীয়মান বিএনপি নেতা মুরাদ হোসেন । এসময় তিনি আরো বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সাফল্য এবং সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দিতে স্বৈরাচারের দোসররা এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে । কিন্তু, আমি বিশ্বাস করি 'বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি সতর্ক থাকলে দেশকে আর বিপথে নেওয়া যাবেনা, আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ' ।ঢাকা-২ আসনের অন্তর্গত সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের চান্দুলিয়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা কামাল ও খুশনাহার বেগমের সুখের সংসার, তিন ছেলে আর দুই মেয়ে নিয়ে দলিল লেখক মোস্তফা কামালের সংসারে কোন অভাব ছিলো না। বরং অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই ছিল তার নেশা। সমাজের যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর ছিলেন মোস্তফা কামাল। তার এই সততা ও প্রতিবাদী স্বভাবের কারণে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দার করিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করায় যার ফলে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে যতটুকু সাহায্য সহযোগিতা করতে পেরেছেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে তার সক্ষমতা আরও বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষের সাথে উতপ্রোতভাবে মিশে গিয়ে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে সাধারণ জনগনের ভালো মন্দ নিয়ে পড়ে থাকেন মোস্তফা কামাল। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যর পাশাপাশি তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদান করেন এবং তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘ ১৫ বছর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সততার সহিত। আর এই রাজনীতির করার কারণে আওয়ামী লীগের সরকার দলীয় নেতাদের রোষানলে পড়ে দূর্বিসহ জীবন যাপন পাড় করেন মোস্তফা কামাল ও তার পরিবারের সকলে। বিএনপির রাজনীতি করায় দলিল লেখক হিসেবে তার কর্মস্থলে ১১ বছর যেতে পারেনি, এমনকি ১১বছর বাড়িতে আসতে পারেননি। ৫ ই আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ই আগস্ট বাড়িতে ফিরে ৭ ই আগস্ট আনন্দ মিছিল করেন ফুলের মালা গলায় দিয়ে । কিন্তু, সেদিনের সেই আনন্দ শোকে পরিনত হয় । স্ট্রোকের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন মোস্তফা কামাল। মোস্তফা কামালের ৫ সন্তানের মধ্যে মুরাদ হোসেন ৪র্থ সন্তান, বাবার সততা ও আদর্শকে বুকে লালন করে ছোট বেলা থেকেই মানুষের পাশে দাড়ানো, অসহায় মানুষকে সেবা'র মনব্রত নিয়ে বেড়ে উঠে মুরাদ হোসেন।১১ বছর বাবাকে কাছে না পাওয়া বেদনাকে শক্তিতে রুপান্তরিত করে জুলাই বিপ্লবের বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিটি মুহূর্ত রাজপথে থেকে সরকার পতনের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত আন্দোলনের সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। আওয়ামী সরকারের নির্দেশে যখন রাজপথে বিএনপি নেতাদের পেলেই পুলিশ প্রশাসন গ্রেপ্তার করছে তখন এসব ভয়কে উপেক্ষা করে জীবনের মায়া ভুলে আন্দোলনকে সফল করতে সংগ্রাম চালিয়ে-যান সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত সদা-হাস্যোজ্জ্বল মুরাদ হোসেন। বর্তমানে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ব্যাক্তিগত জীবনে পেশায় একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী। আইনী সহায়তা দিয়েও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন তিনি। শুধু তাই নয়,রিকশাওয়ালা, প্রতিবন্ধী ও এলাকার গরিব অসহায় ছুটে আসা সবাইকে তিনি সাধ্যমত সহযোগিতা করেন।রাজনৈতিক জীবনে বাবার আদর্শে বড় হয়ে উঠা মুরাদ বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক, ঢাকা -২ এর সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান তার রাজনৈতিক জীবনের আদর্শ। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিটি দিকনির্দেশনা মেনে কাজ করে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার জন্য নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন এই তরুণ তূর্কী। তিনি তার এলাকা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন একটি সন্ত্রাস, মাদক, নেশা ও দুর্নীতি মুক্ত এলাকা হিসেবে যেন সারা দেশের মানুষ একনামে মডেল এলাকা হিসেবে চিনতে পারে।৫ আগস্টের পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যা লঘুদের উপর যে নিপীড়ন চলেছে তার বিরুদ্ধেও সজাগ থেকে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি পরিবারকে আগলে রেখেছেন সব সময়। তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের যাঁরা আছেন তারা সবাই আমার পরিবারের সদস্যদের মতো তাদের কোন ক্ষতি আমি জীবিত থাকতে কেউ করতে পারবে না।এলাকায় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে আপনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,জনগণ যদি চায় তাহলে অবশ্যই তাদের সাথে থেকে ও তাদেরকে নিয়েই নির্বাচন করবো । কারন, আমি জনগনের "শাসক" নয়, জনগণের "সেবক" হয়ে থাকতে চাই সবসময় ।





























