
ভগ্নবীজে জন্ম নেয় অনন্ত
মো. সেলিম হাসান দুর্জয়
আমি ধ্বংসস্থূপের গায়ে রেখেছি আত্মার কবরফুল
ভগ্ন চেতনার মর্মরে গুনগুন করে শূন্যতা।
শরীর—শুধু এক ধুলোবিচূর্ণ কায়া,
যেখানে দাঁড়ায় না ছায়াও
বসে না কোনো প্রলয়পোষ্য প্রেম।
তবু আমি শির উঁচু করে বলি
আমি হেরে যাইনি।
আমার বিশ্বাস ছিল নীহারিকাপত্রী,
সেই বিশ্বাসে রেখেছিলাম সূর্যস্নাত প্রদীপ
তুমি এসে সে আলো নিভিয়ে দিলে নিঃশব্দে
তবু..
আমি জ্বলে উঠেছি ছাইয়ের নিচে
এক নবযুগের শিখা হয়ে।
বিবর্ণ গ্রাম্যপথে হেঁটেছি আমি
যেখানে জীবন ফড়িংয়ের ডানার মতো অনিশ্চিত
সেখানে আমি রেখেছি আমার পরাজয়ের বিজয়স্তম্ভ।
তুমি তো এখনো দিব্যি দাঁড়িয়ে আছো
বিশ্বাস ভাঙা হাতে তুলে রেখেছো মিথ্যের মানপত্র।
তবু জানো?
তুমি যে পরাজিত।
কারণ বিশ্বাসের প্রতীক হতে হলে,
ভেঙে পড়তে হয় শুদ্ধতার ভারে
ধ্বংস হতে হয় আত্মসমর্পণের ঋতুতে।
আর আমি
আমি সেই সৈনিক, যে ভেঙেছে আত্মদগ্ধ অগ্নিতে,
তবু বদলায়নি পতাকার রঙ।
আমিই বিজয়ী।
আমি পরাজয়েরও ঊর্ধ্বে
আমি ভগ্নবীজে জন্ম নেওয়া অনন্ত।







































