
সকেল হোসেন, স্টাফ রির্পোটারঃ
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের হলহলিয়া গ্রামে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও খালা শ্বাশুড়ীতে হত্যার ঘটনায় ৫ দিনের মধ্যেই অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার রুবেল হোসেন পার্শ্ববর্তী বদলগাছী উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
সোমবার (৩ জুন) দুপুরে জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নূরে আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে জানান,অভিযুক্ত রুবেল আগে থেকেই তার স্ত্রীর অন্য পুরুষের সাথে কথা বলা নিয়ে সন্দেহ করতো এবং তার শ্বাশুড়ী বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতো সেই টাকা নিবার জন্য স্ত্রী মিতুকে চাপ দিয়ে আসছিল। ঘটনার দিন ঝড় বৃস্টি হবার কারণে রুবেল সেইদিন বাড়িতেই ছিল। স্ত্রীর ফোনে অপরিচিত একটা মানুষের ফোন আসাতে তাদের মধ্যে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে রুবেল তার স্ত্রীকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। এসময় খালা শ্বাশুড়ী আলেয়া বেগম মিতুকে বাঁচাতে আসলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থালেই আলেয়া বেগমের মৃত্যু হয়। পড়ে শ্যালক নিরব মা, খালাতো বোনকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে রুবেল তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে হাতে ও আঙ্গুলে গুরুত্বর জখম করে পালিয়ে যায়। মিতুর অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করলে পথিমধ্যে দুপচাচিঁয়া এলাকায় সে মৃত্যু বরণ করে।
এ ঘটনায় আলেয়া বেগমের ছেলে বাদী হয়ে আক্কেলপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে অভিযুক্ত রুবেলকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের একটি বিশেষ টিম ২ মে রবিবার বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের মাসুন্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ছুরিসহ অভিযুক্ত রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রুবেল জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে।
এ সময় অভিযুক্তের ফাসির দাবিতে নিহতের স্বজনেরা আক্কেলপুর থানার সামনে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।





























