
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় অটোরিকশার স্ট্যান্ড দখল ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। রোববার (২২ জুন) সকালে অভিযান চালিয়ে পুলিশের নেতৃত্বে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের একজন কুদ্দুস মিয়া এবং অন্যজন প্রতিপক্ষের হামলায় ও ছুরিকাঘাতে নিহত মেহেদী। শনিবার রাতে উপজেলার শাহী মসজিদ ও সিরাজদৌলা ক্লাব মাঠ এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার সময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ধারালো অস্ত্রের ব্যবহারে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আটক তিনজন হলেন শান্তু, রায়হান ও সোহেল।
নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। নিহত দুজনের মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, বন্দর রেললাইন অটোরিকশা স্ট্যান্ড দখল নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা হান্নান সরকারের অনুসারী বাবু-মেহেদী এবং মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশার অনুসারী রনি-জাফর পক্ষের মধ্যে এ বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। তিনি জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।





























