
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
ভোটার উপস্থিতি কম হলেও উৎসরমুখর পরিবেশে বরগুনা-১ আসনের ভোট গ্রহন চলছে। সর্ব শেষ খবর দুপুর দুইটা পর্যন্ত আমতলী-তালতলী উপজেলার কোথাও কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক। ভোটাররা এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। বিকেলে তিনটা পর্যন্ত উপজেলার মোট ভোটারের ৪৪.৫১% ভোট গ্রহন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৪০ মিনিটের সময় আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখাগেছে, ভোটাররা লাইনে দাড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছেন। ৮ টার দিকে আমতলী সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে গিয়ে দেখাগেছে, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে ভোটাররা লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। ভোটার প্রভাষক রাকিবুল ইসলাম বলেন, ভোটার হওয়ার পর থেকে ভোট দিতে পারিনি, জীবনে এই প্রথম পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিলাম। পুর্ব চন্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের নারী ভোটার শিউলী বেগম বলেন, এমন শান্তিপুর্ণ ভোট কখনো দেইনি। দক্ষিণ কাঠালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র বেলা ১১.৩০ টার দিকে ৩৬০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। মাহবুবুল ইসলাম মৃধা বলেন, ভোটাররা মনের আনন্দে এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। কোন চাপাচাপি নেই। কুকুয়া হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১২ টার দিকে এক হাজার ৩’শ ৫০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। তাকে শতকরা ৩২% ভোট গ্রহন করা হয়েছে। দুপুর ২ টার দিকে চুনাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক হাজার ৭ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। শতকরা হিসেবে ৪০%^ ভোট গ্রহন করা হয়েছে। ভোটার প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বপন বলেন, এবার ঢাকা থেকে ভোট দিতে এসে স্বার্থক হয়েছে। কেননা গত ১৬ বছরে ভোট দিতে পারিনি। এবার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। এভাবেই ভোট হওয়া প্রয়োজন। আঠারোগাছিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখাগেছে, তিন হাজার ৬’শ ৮৬ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ১’শ ২৫ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। শতকরা হিসেবে ওই কেন্দ্রে ২৩.৫৫% ভোট গ্রহন করা হয়েছে। ওই কেন্দ্রের ভোটার মোঃ মোশাররফ হোসেন হিরু বলেন, মানুষ গত ১৬ বছর পর্যন্ত ভোট দিতে পারেনি। কিন্তু এবার সুযোগ পেয়েছে তারা ভোট দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পিছনে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন গেছে ভোট দেইনি। এবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হওয়ায় ঢাকা থেকে ভোট দিতে এসেছি। ভালোই লাগছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, শান্তিপুর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন চলছে। কোথাও কোন অনিয়নের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, এ উপজেলায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮’শ ৪৮ ভোটার। তার মধ্যে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ৪৪.৫১% ভোটার ভোট দিয়েছেন। ওই হিসেবে ৮২ হাজার ২’শ ৭৬ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।





























