
স্টাফ রিপোর্টার :
দিরাই–শাল্লার রাজনীতিতে এক ভিন্নধারার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শিশির মনির। নির্বাচনী প্রতিযোগিতার তীব্রতা থাকলেও তাঁর বক্তব্য ও আচরণে ছিল না প্রতিপক্ষকে হেয় করা,পরনিন্দা বা কটূক্তি। বরং শালীনতা,সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের রাজনীতিই ছিল তাঁর মূল শক্তি।
বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নাছির উদ্দীন চৌধুরী–এর কাছে পরাজিত হলেও শিশির মনির ভিন্ন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ দেন। ফল ঘোষণার পরপরই তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং নিজে গিয়ে তাঁর বাসায় মিষ্টি নিয়ে হাজির হন। বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করে একসঙ্গে মিষ্টি সেবনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দেন—প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরও সৌহার্দ্য ও সম্মান বজায় রাখা সম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আচরণ দিরাই–শাল্লার রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। যেখানে অনেক সময় নির্বাচনের পর উত্তেজনা ও বিভাজন বাড়ে, সেখানে শিশির মনিরের সৌজন্যমূলক ভূমিকা প্রমাণ করেছে—ভদ্রতা ও নৈতিকতা দিয়েও মানুষের আস্থা অর্জন করা যায়।
দিরাই–শাল্লার এই নির্বাচন তাই শুধু একটি ভোটের লড়াই নয়, বরং সুস্থ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।





























