
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামে শীতের তীব্র দাপট ও ঘন কুয়াশায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে পথঘাট ও প্রকৃতি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে দিনের অধিকাংশ সময় সূর্য মেঘের আড়ালেই থাকছে। সূর্যের উত্তাপ না থাকায় হিমেল বাতাসে নিম্নগামী হতে থাকে তাপমাত্রা। এই সময় তীব্র শীত অনুভূত হতে থাকে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এ জেলার মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠী। প্রচন্ড ঠান্ডায় শ্রমিক, রিক্সাচালক, দিনমুজুরসহ শ্রমজীবী মানুষ কাজে যোগ দিতে পারছেন না।
নাগেশ্বরী উপজেলার ইট ভাঙা শ্রমিক নজরুল ইসলাম বলেন, প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাদের হাত-পা যেন জমে যায়। সকাল সকাল কাজে যোগ দিতে কষ্ট হয়।
গত ২ দিন ধরে হিমেল বাতাসের কারণে সবচেয়ে কষ্টে পড়েছেন জেলার ১৬টি নদ-নদীর অববাহিকার বাসিন্দারা। আর রাতে টিনের চালে বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। সকালে কাজের সন্ধানে ছুটে চলা মানুষজন পড়েছেন ভোগান্তিতে। ঠান্ডায় এরই মধ্যে বয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, গত ১৫ দিন ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ১২-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওঠানামা করছে। এ মাসের মাঝামাঝি নাগাদ এ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।





























