
তানজিল সরকার ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি ।
ভারতের আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করেছে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, জাতীয় পতাকার অবমাননা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এ লংমার্চ করছে দলটি।
১১ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে ঢাকা থেকে আখাউড়া যাওয়ার পথে ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
ভৈরবে লংমার্চের গাড়িবহর প্রবেশ হওয়ার সময় সড়কের দুই পাশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়। তারা হাত নেড়ে, ফুল ছিটিয়ে গাড়িবহরকে স্বাগত জানান। নেতাকর্মীদের হাতে ফেস্টুন, জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা সহ নানা রকম স্লোগানে মুখরিত ছিলো ভৈরবের রাজপথ।
এসময় লংমার্চের যাত্রাপথে ভৈরর বাসস্ট্যান্ডে পথসভায় কেন্দ্রীয় যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এই লংমার্চ কর্মসূচি করছে বিএনপি। এতে তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল অংশ নিয়েছে। ভারত কে আমরা দিয়েছি সু-স্বাধু ইলিশ তার বিনিময়ে তারা দিচ্ছে ফেন্সি ইয়াবার মত মাদক যা যুব সমাজকে ধংশ করছে। ভারত কে আমরা বন্ধু রাষ্ট্র মনে করি কিন্তু তারা ফ্যাসিস্ট সৈরাচারি হাসিনা ও তার দোসর দের আশ্রয় দিয়েছে। ভারতে বসে করছে দেশ ধ্বংস করার মত ষড়যন্ত্র। আপনারা জানেন বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান তিনি যেমন দেশে সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যে জীবন দিয়েছে ঠিক তেমনী আমাদের শরীলে একফোঁটা রক্ত থাকা পর্যন্ত দেশকে কে রক্ষা করে যাবো। দেশের এক ইঞ্চি ভুমি ও ভারত কে ছাড় দেয়া হবে। ভারতে আগ্রাসনী মনোভাব বন্ধ করতে হবে।
এর আগে, সকাল ৯টায় রাজধানীর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হয়। লংমার্চ শুরুর আগে নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।





























