
আব্দুর রশিদ মোল্লা, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:
মাগুরার শ্রীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীকোল ইউনিয়নের ২ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিয়ার মন্ডলসহ রামনগর ও বারইপাড়া গ্রামের ১৪ জনকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটকের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন শ্রীপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মোঃ আতাউর রহমান।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দুই পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠলে রাতে উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ করেন।
আটককৃত হলেন, রামনগর গ্রামের মতিয়ার শেখ (৪৩), মতিয়ার মন্ডল (৬৪), তৈয়েবুর রহমান (৩০), সাহিদুল মন্ডল (৫৫), রবিউল মন্ডল (২৯), মোহাম্মদ আলী (৫৫), মাহমুদ আলী (২২), ঝন্টু মোল্লা (৩৬), মসিয়ার কাজী (৬০), মন্টু মোল্লা (৪০), চুন্নু কাজী (২৫), সাইফুদ্দিন কাজী (৩০), বারইপাড়া গ্রামের সেলিম মোল্লা (৬০), কুতুব (৪০) প্রমুখ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ ও পূর্ব শত্রু তার জেরে আবু সালেহ ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা মিঠুনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর জেড় ধরে আবু সালেহ ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিয়ার মন্ডল গ্রুপের সমর্থক সাহেব আলীকে মারধর করে ছাত্রদল নেতা মিঠুন ও মহসিন মোল্লা গ্রুপের লোকজন। মারধরের ঘটনার পর
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মাতব্বররা পরদিন সকালে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই বুধবার সকালে প্রতিপক্ষের ওপর পাল্টাপাল্টি হামলা ও বাড়িঘরর ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুই পক্ষের সমর্থকেরা।
সংঘর্ষে অন্তত ২০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসময় টিউবওয়েলের মোটর চুরি ও ঘরবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মোঃ আতাউর রহমান জানান, সংঘর্ষ ও বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে পৃথক পৃথক দুটি মামলায় দুই গ্রুপের ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে, আমাদের আইনি প্রক্রিয়া চলমান।





























