
ইসমাইল হোসেন পোরশা নওগাঁ
চলতি রবি মৌসুমে পোরশা উপজেলার গমের শীষ ভালো থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। এবার সরকারি প্রণোদনা হিসেবে উচ্চ ফলনশীল জাতের গমের বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল পোরশা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের গম ক্ষেত পরিদর্শন করে দেখা গেছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতায় গমের সবুজ শীষের সমারহ। বিঘা প্রতি কৃষক ১৮ থেকে ২০ মণ গমের ফলন আশা করছেন। গতবারের তুলনায় এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল জাতের গমের বীজ সরবরাহ ও সহযোগিতা করায় এমনটাই প্রত্যাশা তাদের। গম পাকার আগ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এ আশা পূর্ণ হবে কৃষকদের। বাজারে গম বিক্রি করে স্বাবলম্বী হওয়ারও আশা রাখেন তারা।
গাংগুরিয়া ইউনিয়নের মোঃ মজিবুর রহমান পাথরডাঙ্গা ও গাংগুরিয়া মৌজার বর্গা নেওয়া ৩২ বিঘা জমি বারিগম ৩০ ও ৩২ বুনেছেন। আবহাওয়া ও বাজারদর ভালো থাকলে সার কীটনাশক ও পানিসহ ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি দশ মন গম পাবেন বলে আশা করেন তিনি। এতে স্বাবলম্বী হবেন বলে প্রত্যাশা তার।
অপরদিকে দিঘী পাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক ভ্যান চালানোর পাশাপাশি কয়েক বিঘা গম চাষ করেছেন। তিনিও বলছেন সামনে আবহাওয়া ভালো থাকলে ইনশাআল্লাহ আমি ১৭ থেকে ২০ মন গম পাব। গত বছরের তুলনায় এবার লাভ হবে বেশি।
গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জেবাউন নেছা বলেন, আমরা কৃষকদের প্রণোদনা হিসাবে উচ্চ ফলনশীল বারিগম ৩০,৩২,৩৩ ও বি,ডাবলিউ,এম আর ওয়ান বীজ, সার কিটনাশক দিয়েছি পরিচর্যা ভালো নিলে বিঘা প্রতি ১৮ থেকে ২০ মণ গম পাবে বলে আমরা আশা করি।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গম চাষে এবার ৪৮২০ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে লক্ষ্যমাত্রা ৪৬৪০ অর্জিত হবে বলে জানান ।সার্বিক সহযোগিতা সহ দফায় দফায় মাঠ পরিদর্শন করেছি। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। সেচ ব্যবস্থা যদিও পুকুর এবং খালের পানি, আমরা সরকারি সহযোগিতায় সম্ভব হলে যেখানে প্রয়োজন গভীর নলকূপের ব্যবস্থা করব এমনটাই আশা তাদের।





























