
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ছাত্র ওয়াজেদ আলম সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত সন্ত্রাসী মো: অনিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত অনিক নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকার বাসিন্দা এবং নয়ন ওরফে মরু সাহার ছেলে। সে পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই এবং মাদক সংশ্লিষ্ট মোট ৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে অনিককে নগরীর সুকুমপট্টি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে সীমান্তের ছিনতাই হওয়া ইনফিনিক্স-৭ মডেলের মোবাইল ফোন এবং হত্যায় ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার (চাকু) উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “গ্রেফতারকৃত অনিক হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তার কাছ থেকে সীমান্তের লুণ্ঠিত মোবাইল ফোন ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং নিহত সীমান্তের বাবা হাজী পারভেজ আলম।
গত ১২ ডিসেম্বর ভোরে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ওয়াজেদ আলম সীমান্ত। ছিনতাইকারীরা তার মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে। দুইদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সীমান্তের বাবা হাজী পারভেজ আলম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার।





























