
নারায়ণগঞ্জের গণমাধ্যমের জগতে এক উল্লেখযোগ্য নাম তোফাজ্জল হোসেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর আগারগাঁও নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোক করার পর তোফাজ্জল হোসেনকে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও তিনি আর সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। তার মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী, এবং নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক সমাজে গভীর শোক নেমে এসেছে।
প্রয়াত তোফাজ্জল হোসেনের প্রথম জানাজা ডিআইটি মসজিদ প্রাঙ্গণে বাদ আসর এবং দ্বিতীয় জানাজা কাশিপুর ঈদগাহ ময়দানে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তোফাজ্জল হোসেন ছিলেন নারায়ণগঞ্জের সংবাদ জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি দৈনিক ইয়াদ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে পত্রিকাটি সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতার জন্য পরিচিতি লাভ করে। বিভিন্ন সময়ে তিনি নির্যাতিত মানুষের কথা তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
২০২৪ সালের জুন মাসে তার স্ত্রী মোসা: মাহমুদা আক্তারের ইন্তেকালের পর তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। তবুও সাংবাদিকতা থেকে তিনি বিচ্যুত হননি। তবে বছর শেষে ব্রেন স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
পরিবারের সদস্য ও দৈনিক ইয়াদ পত্রিকার পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।
তোফাজ্জল হোসেনের চলে যাওয়া নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিকতার অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তার সততা, পেশাদারিত্ব এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার স্মৃতি অমলিন থাকবে।





























