
আহম্মদ কবির স্টাফ রিপোর্টার। অতিথি পাখির অভয়ারণ্য খ্যাত সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পাখি শিকারিদের দেওয়া বিষটোপ খেয়ে মারা গেলো এক খামারির পাঁচ শতাধিক হাঁস ও মৃতু ঝুকিতে রয়েছে আরও শতাধিক হাঁস।সোমবার দুপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরের মন্দিয়াতা গ্রাম সংলগ্ন রৌয়াবিলে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের মন্দিয়াতা গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে খামার মালিক সুজন মিয়া ঋণ করে বাড়ির পাশে ১১শতাধিক হাঁসের একটি খামার করেন। হাঁসগুলো প্রতিদিনের ন্যায় টাঙ্গুয়ার হাওরের রৌয়া বিলে খাবারের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে। সোমবার দুপুরে খামারি হঠাৎ দেখতে পায় উনার কিছু হাঁস মরে পানিতে ভাসছে।তাৎক্ষণিক উনি হাঁসের খুঁজে বেড় হয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক মৃত হাসঁ উদ্ধার করেন। এবং মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে আরও শতাধিক হাসঁ এমন দাবি হাসঁ খামারি সুজনের।স্থানীয়রা জানায়,উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের মন্দিয়াতা গ্রামের সাইকুল ইসলামের ছেলে আহাম্মদ মিয়া, একই গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে জনিক ও নুর ইসলামের ছেলে নেহার মিয়া প্রতিদিন টাঙ্গুয়ার হাওরের রৌয়াসহ বিভিন্ন বিলে বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার করে, প্রতিদিনের মতো আজকেও টাঙ্গুয়ার হাওরের রৌয়া বিলে ধানের সাথে বিষ মিশিয়ে পাখি শিকারের জন্য রেখে দেয়। এই বিষ মেশানো ধান খেয়ে খামারি সুজন মিয়ার পাঁচ শতাধিক হাঁস মারাযায় এবং আরও শতাধিক হাসঁ মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে।এ বিষয়ে মন্দিয়াতা গ্রামের শাহেদ আলীসহ কয়েকজন জানান,আমাদের গ্রামের নেহার,আহম্মদ ও জনিক প্রতি বছরেই বিষ দিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে পাখি মারে এই বিষ খেয়ে সুজনের পাঁচ শতাধিক হাঁস মারা যায়।উনারা বলেন এখন হাওরের পানি খেতেও আমাদের ভয় হয়।তবে বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত জনিক মিয়া বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা, আমি বর্তমানে কলমাকান্দা আছি। তবে তিনি আরও বলেন, উনার গ্রামে বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকারের একাধিক গ্রুপ রয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক সুজন মিয়া জানান,আমি ঋণ করে বাড়ির পাশেই ১১শত হাঁসের একটি খামার করি কিন্তু টাঙ্গুয়ার হাওরে বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার করতে আমাদের গ্রামের বাসিন্দা নেহার,আহম্মদ ও জনিক মিয়া ধানের সাথে বিষ মিশিয়ে রেখে দিলে এই বিষ খেয়ে আমার পাঁচ শতাধিক হাঁস মারা যায়। এবং মৃত্যুর ঝুঁকিতে আর শতাধিক হাঁস আমি এখন নিঃস্ব। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের কাছে আইনি সহায়তার অনুরোধ জানাই।বিষয়টি নিয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও)আবুল হাসেম এর নিকট জানতে চাইলে উনি বলেন বিষয়টির তথ্য সংগ্রহ করেন দ্রুত এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























