
জাহিদ হাসান মুক্তার, পাকুন্দিয়া সংবাদদাতা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের পাকুন্দিয়া উপজেলায় এবারের ভোটে চোখে পড়ার মতো ছিল নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক উপস্থিতি। সকাল থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি প্রমাণ করে—গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে তারা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সচেতন ও আগ্রহী।উপজেলা মির্জাপুর শহীদ আলা উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, বাহাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, এগারোসিন্দুর ঈসাখান সিনিয়র মাদরাসা, চরদেওকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মধ্য মান্দারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মান্দারকান্দি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,আহুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমরী নূর হোসাইনী আলিম মাদরাসা, নারান্দী নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পোড়াবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,শ্রীরামদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানুল্লারচর উছমান গনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শৈলজানি আলিম মাদরাসা সহ বেশ কিছু কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, তরুণী থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী ও প্রবীণ নারীরাও উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে এসেছেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তবে কিছু কিছু কেন্দ্রে সকালে উপস্থিত ভালো থাকলেও দুপুরে কেন্দ্রগুলো ভোটার উপস্থিতি খুব কম ছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বড় ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায় নি।স্থানীয় এক নারী ভোটার বলেন, “ভোট দেওয়া আমাদের অধিকার। দেশের উন্নয়নে সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিতে আমরা সবাই সচেতন।” আরেকজন জানান, নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় নির্বাচনী পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, নারী ভোটারদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল এবং সার্বিক পরিস্থিতি ছিল শান্তিপূর্ণ। ভোটকেন্দ্রগুলোতে আলাদা লাইন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা থাকায় নারীরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরেছেন।সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি নারীর ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক সচেতনতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। পাকুন্দিয়ায় নারীদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে—গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় নারীর ভূমিকা এখন অনস্বীকার্য।পাকুন্দিয়ার এই দৃশ্য যেন প্রমাণ করে, উন্নয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীরা আর পেছনে নয়—বরং নেতৃত্বের কাতারেই এগিয়ে চলেছেন।





























