
পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ শেখ মুজিবুর রহমানের আস্থাভাজন প্রাক্তন এমপি বশিরুল হক চৌধুরীর দহিত্র জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ জনসমর্থনের শীর্ষে অবস্থান করছে।
নওগাঁর পোরশা উপজেলা ৬ ইউনিয়নে ৪০০ টি গ্রাম রইয়াছে। ইউনিয়ন গুলোর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এসে জানা যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী ও খাদ্যমন্ত্রী ভাবো স্বজনচন্দ্র মজুমদার এমপি একান্ত সহযোগী অধ্যক্ষ আলহাজ্ব শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীই জনগণের আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নাম না প্রকাশ করার শর্তে নিতপুর ইউনিয়নের কয়েকজন বললেন "তিনি কারো টাকা খান না কারো পুকুরের মাছ খেতে চান না কারো সালিশের টাকা গ্রহণ করেন না সুখে-দুখে আমরা তার পাশে গিয়ে মনের কথা বলতে পারি"। আরো বললেন দেশ স্বাধীনের পরে আমরা দুটি চেয়ারম্যান কে পেয়েছি এক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম চৌধুরী ও আরেকটি উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী। মর্শিদপুর ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী আল আমিন বললেন আমরা ঈদের মধ্যে সেমায় চিনি কিনতে পাচ্ছিলাম না খবর পেয়ে তিনি ছুটে এসে আমাদেরকে সেমায় চিনি দিয়েছেন তিনি সৎ ন্যায় বিচারক আমরা তাকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিব।
ছাওড় ইউনিয়নের আব্দুস সবুর ভ্যানচালক বলেন, তিনি চোর নন কারো জমি দখল করে নেয় না তিনি একজন সৎ মানুষ শিক্ষিত মানুষ একজন কলেজের অধ্যক্ষ আমরা তাকে ভালোবাসি তাকেই ভোট দেব।
ফেসবুকে কাপ পিরিচ মার্কার জয় হবে বলে ঝড় উঠেছে, উদয় মিডিয়া তার টাইমলাইনে লিখেছেন,একজন আর্দশবান শিক্ষক নিসন্দেহে একজন ভালো মনের মানুষ যার কথা প্রতিটা জায়গায় শুনা যাচ্ছে গ্রামে, চায়ের দোকানে, হোটেলে,এক কথায় এলাকার মানুষ বলছে তিনি একজন সৎ মানুষ ভালো মানুষ আমরা পোরশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে তাকেই চাই আমরা মনে করি এরকম একটা সৎ মানুষ চেয়ারম্যান হলে আমরা ইনশাআল্লাহ উপ্রকৃত হবো এবং যেকোনো সমস্যা সমাধান করে পাবো তাই আমরা সবাই এই যোগ্য ব্যাক্তি টাকে ২১ তারিখ সারাদিন কাপ পিরিচ মার্কা কে বিপুল ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো আর হা স্যারের যেহেতু আগের নির্বাচনে আনারস মার্কা ছিলো এবার কিন্তু স্যারের প্রতীক কাপ পিরিচ তাই আমরা সবাই একটাই প্রতীক কে চিনবো সেটা হচ্ছে কাপ পিরিচ ভুল করবেন না কিন্তু আওয়াজ হবে কাপ পিরিচ।
চায়ের দোকানে মোড়ে যেকোনো আলোচনার টেবিলে শোনা যাচ্ছে তার মার কাপ পিরিচ কে ভোট দেওয়ার কথা।
পাঁচ বছরে তার অবদানের কথা বলতে গেলে, টাকার অভাবে ঝরে পড়া অনেক ছাত্রের পড়াশুনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। গরিব মেধাবী বই না কিনতে পারার ছাত্রদের নিজ পকেট থেকে টাকা দিয়ে বই কিনে দিয়েছেন প্রায় ৫০ জন ছাত্রকে।
তুলা রাশি বেওয়ার আজীবন দায়িত্ব সহ অনেক হতদরিদ্র অসহায় ব্যক্তির সহযোগিতায় হাত বাড়িয়েছেন তিনি।
সহযোগিতা চেয়ে কেউ কোনদিন ফিরে আসেনি তার কাছ থেকে।
শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বিশেষ করে গাঙ্গুরিয়া ডিগ্রী কলেজের যত ঝরে পড়া শিক্ষার্থী তাদের পড়ার লাইনে নিয়ে এনেছি। তাছাড়া তাদের বই থেকে শুরু করে পরীক্ষার ফরম ফিলাপ আমি সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছি। উপজেলার আনাচে কানাচে যেখানে আমি সভা মিটিং ঘুরতে যাওয়া প্রতিটি স্থানে যাওয়ার আগে খবর নিয়েছি এলাকায় কতগুলো ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করে কতগুলো ছেলে-মেয়ে পড়াশোনার বাইরে আছে যারা পড়াশোনার বাইরে রয়েছে তাদেরকে আমি পড়াশোনার লাইনে নিয়ে এনেছি। এটি আমার নির্বাচনী ইশতেহার ছিল এ কাজটি আমি সারা জীবন করে যাব। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত কারণ মানুষের জন্য আমি ঘুষ মুক্ত দুর্নীতি মুক্তভাবে কাজ করে গেছি। আমার সকল কর্মী ভোটার আমার মেন্টর গাইড অভিভাবক তারাই আমার ভোট করে দেবে ইনশাআল্লাহ।
ছাত্রদের মাঝে জ্ঞানীগুনির ব্যক্তির কাছে পাড়া মহল্লার মুরব্বিদের কাছে তার জনপ্রিয়তা যেন শীর্ষে।
হাটে বাজারে গ্রামে-গঞ্জে শুধু শোনা যাচ্ছে স্যার মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীর কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দেওয়ার কথা।
জন্ম লগ্ন থেকে তিনি একজন আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান তার দাদা ছিলেন পাকিস্তান পিরিয়ডের একজন এমপি। বাবা ছিলেন স্বনামধন্য ফজলুল হক চৌধুরী অধ্যক্ষ গাঙ্গুরিয়া ডিগ্রী কলেজ। তার স্থলাভিষিক্ত আজকের এই শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী।
সারাইগাছি মোড়ে,বড়গ্রাম, সোমনগর, শিশা বাজার, নোচনা হার বাজার, কড়িদহ, কুশরপাড়া বাজার, গাংগুরিয়া বাজারে, বালিয়া চান্দা মোড়ে পোরশা মীনা বাজারে, নিতপুর কপালের মোর, কালাইবাড়ি বাজার গানইর মোড় ও বিভিন্ন চায়ের দোকানে আলোচনায় পাওয়া যায় তার কাপ পিরিচ মার্কার ভোটের কথা।
ধান ক্ষেতের মাঠে বাগান চাষীদের মাঝে শোনা যাচ্ছে তার কথা। সারাইগাছির মুচি রূপচান বলেন আমি মঞ্জুর মোরশেদ স্যারকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিব।
উল্লেখিত আলোচনা থেকে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী জনসমর্থনে শীর্ষে আছেন বলে প্রতিয়মান হয়।





























