
ওমরসানি, রাঙ্গাবালী
বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় "রেমালের" তাণ্ডবে পটুয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ হাজারের ও ঘরবাড়ি বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান। ভেসে গেছে দেড় হাজার পুকুর ও ঘেরের মাছ। মারা গেছে পাঁচ শতাধিক গবাদিপশু। উপরে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। বিদ্যুৎ সরবরাহ রয়েছে তিন দিন।
ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, জোয়ারে লোকালয় প্লাবিত বিশেষ করে চালিতাবুনিয়া ও চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুরো উপজেলায় প্রায় ৪০- ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি দুর্গত এলাকায় সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে ৬টি ইউনিয়নের ৬ হাজার ২১০টি বসত ঘর ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ৫৭৭টি গবাদিপশু মারা গেছে বলে জানা গেছে। এতে ৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য চাষিদের।
এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁদের প্রকল্প প্রস্তুত করে পাঠানোর জন্য কলাপাড়ার পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে। রাঙ্গাবালীর দুর্গত এলাকার জন্য ১০ লক্ষ টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, ২০০ টন চাল এবং ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।





























