
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজ শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলী সীমান্তের পরিবারের খোঁজ নিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকায় নিহত ওয়াজেদ আলী সীমান্তের বাসায় যান মহানগর জামায়াতের নেতারা। তারা সীমান্তের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ আবদুল জব্বার বলেন: “স্বৈরাচারী সরকারের ব্যর্থতার কারণে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।স্বৈরাচারী সরকারের চাঁদাবাজ বাহিনী চাদাঁ তুলতে না পেরে এখন চুরি ডাকাতি'তে নেমেছে। প্রশাসনের উচিত প্রতিটি অলি-গলিতে নিরাপত্তা টহল জোরদার করা।”
তিনি সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
সীমান্তের রূহের মাগফিরাত কামনা করে মহানগর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ মোনাজাত করেন। তারা নিহতের পরিবারের প্রতি ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
গত বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর মিন্নত আলী মসজিদ এলাকায় ছিনতাইকারীরা সীমান্তকে ছুরিকাঘাত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
মহানগর জামায়াতের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন, শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম,সদর পূর্ব থানা আমির মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সীমান্ত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকাবাসী শোকাহত।





























