
নারায়ণগঞ্জে শিক্ষার্থী ওয়াজেদ সীমান্ত হত্যা মামলায় মোহাম্মদ আকাশ ওরফে সাইদুর রহমান আকাশ (৩৬) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ফতুল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মামলার প্রধান আসামি মো. অনিককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আকাশ মুন্সিগঞ্জের বকুলতলা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুরে বসবাস করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ফতুল্লা ও সদর থানায় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ১১টি মামলা রয়েছে।
গত ১২ ডিসেম্বর ভোরে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগারের সামনে ছিনতাইকারীরা ওয়াজেদ সীমান্তকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় সীমান্তকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।
সীমান্তের বাবা হাজী মো. আলম পারভেজ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে জানা যায়, সীমান্তকে ছিনতাইকারীরা ছুরিকাঘাত করে তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
গ্রেপ্তারকৃত আকাশ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন, যা প্রথম আসামি অনিকের জবানবন্দির সাথে মিল পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আকাশকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। এছাড়া মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির আহমেদ বলেন, “আকাশকে গ্রেপ্তারের পর হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ আরও স্পষ্ট হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা আগের মামলাগুলোও তদন্তাধীন রয়েছে।”
উল্লেখ্য, নিহত ওয়াজেদ সীমান্ত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) শিক্ষার্থী ছিলেন।





























